এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, কী বলছে ফ্যাক্টচেক
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত আর্থিক ও যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সম্পত্তি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও ই-মেইলগুলো সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এই নথি ও ফাইলগুলিকে বলা হচ্ছে ‘এপস্টেইন ফাইলস’, যা যৌন অপরাধ, অর্থপাচার এবং প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক যোগাযোগের তথ্য ধারণ করে। ফাইলসের বিশাল ভলিউমে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি, প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও রয়েছে। এগুলোতে এপস্টেইনের মানি-লন্ডারিং, যৌন পাচার, সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের কার্যক্রম এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। ফাইলসের কিছু নথিতে বাংলাদেশের নামও উল্লেখ আছে। সেখানে দেখা যায়, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী একজন বৈঠকের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়েছেন কারণ তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাত ৮টায় বৈঠকে ছিলেন। এছাড়া ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নামও বিভিন্ন ই-মেইলে এসেছে। গবেষণা, দাতব্য প্রকল্প, জলবায়ু পরিবর্তন, রাজনীতি ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে এপস্টেইনের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের উপস্থিতি বিস্তৃতভাবে ফুটে উঠেছে। এক নরওয়েজিয়ান কূটনীতিক নিয়মিত বিভিন্ন প্রবন্ধ পাঠাতেন এপস্টেইনের কাছে, য
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত আর্থিক ও যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সম্পত্তি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও ই-মেইলগুলো সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এই নথি ও ফাইলগুলিকে বলা হচ্ছে ‘এপস্টেইন ফাইলস’, যা যৌন অপরাধ, অর্থপাচার এবং প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক যোগাযোগের তথ্য ধারণ করে।
ফাইলসের বিশাল ভলিউমে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি, প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও রয়েছে। এগুলোতে এপস্টেইনের মানি-লন্ডারিং, যৌন পাচার, সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের কার্যক্রম এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।
ফাইলসের কিছু নথিতে বাংলাদেশের নামও উল্লেখ আছে। সেখানে দেখা যায়, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী একজন বৈঠকের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়েছেন কারণ তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাত ৮টায় বৈঠকে ছিলেন। এছাড়া ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর নামও বিভিন্ন ই-মেইলে এসেছে।
গবেষণা, দাতব্য প্রকল্প, জলবায়ু পরিবর্তন, রাজনীতি ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে এপস্টেইনের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের উপস্থিতি বিস্তৃতভাবে ফুটে উঠেছে। এক নরওয়েজিয়ান কূটনীতিক নিয়মিত বিভিন্ন প্রবন্ধ পাঠাতেন এপস্টেইনের কাছে, যার মধ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবরও ছিল।
এপস্টেইন ফাইলস থেকে পাওয়া তথ্যগুলো অনুসারে, তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায় তার মানসিক মূল্যায়ন, মৃত্যুর রহস্য, সহযোগী ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দোষ স্বীকারসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতেন। ই-মেইল ও নথি প্রমাণ দেয় যে আইনি ঝামেলার মধ্যেও তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন।
ফ্যাক্টচেক: এপস্টেইন ফাইলস প্রকাশিত হলেও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা ব্যবসায়ী আবদুল আউয়ালের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা নেই। নথিতে কেবল তাদের নামের উল্লেখ পাওয়া গেছে, যা বৈঠক বা যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্যের অংশ হিসেবে এসেছে।
What's Your Reaction?