এবার তেলের ট্যাংকার হাইজ্যাক, নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সোমালিয়ার দিকে

অজ্ঞাত হাইজ্যাকাররা ইয়েমেন উপকূল থেকে একটি তেলের ট্যাংকার হাইজ্যাক করেছে। শনিবার (২ মে) এ ঘটনা ঘটে। এখন ট্যাংকারটি সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইয়েমেনের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ইউরেকা নামের এ ট্যাংকারটি তাদের সাবওয়া প্রদেশের উপকূল থেকে হাইজ্যাক করা হয়েছে। একটি সশস্ত্র দল ট্যাংকারটিতে ওঠে প্রথমে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর এটি সোমালিয়া উপকূলের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। ইয়েমেনের কোস্টগার্ড আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অধীনে কাজ করে। তাদের সঙ্গে হুতি বিদ্রোহীদরে কোনো সম্পর্ক নেই। তারা এ হাইজ্যাকিংয়ের ঘটনা তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড বলেছে, “ট্যাংকারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। ট্যাংকারের ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ট্যাংকারটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।” মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরেকা ট্যাংকারটি টোগোর পতাকাবাহী। এটি তেল পণ্য পরিবহন করে। মার্চের শেষ দিকে ট্যাংকারটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে ছিল। বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়ছে, ২০০০ সালের দিকে সোমালিয়ার জলদস্যুদের উৎপাত বেড়

এবার তেলের ট্যাংকার হাইজ্যাক, নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সোমালিয়ার দিকে

অজ্ঞাত হাইজ্যাকাররা ইয়েমেন উপকূল থেকে একটি তেলের ট্যাংকার হাইজ্যাক করেছে। শনিবার (২ মে) এ ঘটনা ঘটে। এখন ট্যাংকারটি সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ইয়েমেনের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ইউরেকা নামের এ ট্যাংকারটি তাদের সাবওয়া প্রদেশের উপকূল থেকে হাইজ্যাক করা হয়েছে। একটি সশস্ত্র দল ট্যাংকারটিতে ওঠে প্রথমে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর এটি সোমালিয়া উপকূলের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।

ইয়েমেনের কোস্টগার্ড আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অধীনে কাজ করে। তাদের সঙ্গে হুতি বিদ্রোহীদরে কোনো সম্পর্ক নেই। তারা এ হাইজ্যাকিংয়ের ঘটনা তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে।

এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড বলেছে, “ট্যাংকারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। ট্যাংকারের ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ট্যাংকারটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।”

মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরেকা ট্যাংকারটি টোগোর পতাকাবাহী। এটি তেল পণ্য পরিবহন করে। মার্চের শেষ দিকে ট্যাংকারটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে ছিল।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়ছে, ২০০০ সালের দিকে সোমালিয়ার জলদস্যুদের উৎপাত বেড়ে যায়। ২০১১ সালের দিকে দস্যুতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এরপর বিভিন্ন দেশ নৌবাহিনী মোতায়েন করলে এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলো চলাচলে কৌশল পরিবর্তন করলে দস্যুদের প্রভাব কমে আসে।

কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে এটি বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র গত এপ্রিলেই তিনটি জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়েছে।

সূত্র: এএফপি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow