এমন কাজ করিনি যে সেফ এক্সিট নিতে হবে : প্রেস সচিব

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, আমরা এমন কোনো কাজ করিনি যার জন্য সেফ এক্সিট নিতে হবে। এই প্রশ্ন যারা তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য নিয়েই আমার সন্দেহ আছে। বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে আমি গর্বিত। আমি বাংলাদেশেই থাকব, এই মাটিতেই থাকব। আল্লাহ রিজিকের মালিক যে কাজ পাব, সেই কাজই করব। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইমাম বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের বাউল সমাজের ভোটাররাও ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। কোনো শঙ্কা থাকবে না। যিনি কোনো ধর্মই বিশ্বাস করেন না, তিনিও ভোট দিতে যাবেন। সবাই মিলে আমরা ভোট দেবো।   বাউলশিল্পী আবুল সরকারের ভক্তদের ওপরে হামলার বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি খুবই ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় পুলিশ মামলাও করেছে। বাংলাদেশ একটি সম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির দেশ। আমরা আশা করি সবাই সেটি বজায় রাখবেন। আর আমাদের মধ্যে মতবিরোধ তো থাকবেই। তারপরেও আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তা হলে আগামীতে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে প্রে

এমন কাজ করিনি যে সেফ এক্সিট নিতে হবে : প্রেস সচিব

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, আমরা এমন কোনো কাজ করিনি যার জন্য সেফ এক্সিট নিতে হবে। এই প্রশ্ন যারা তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য নিয়েই আমার সন্দেহ আছে। বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে আমি গর্বিত। আমি বাংলাদেশেই থাকব, এই মাটিতেই থাকব। আল্লাহ রিজিকের মালিক যে কাজ পাব, সেই কাজই করব।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইমাম বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের বাউল সমাজের ভোটাররাও ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। কোনো শঙ্কা থাকবে না। যিনি কোনো ধর্মই বিশ্বাস করেন না, তিনিও ভোট দিতে যাবেন। সবাই মিলে আমরা ভোট দেবো।  

বাউলশিল্পী আবুল সরকারের ভক্তদের ওপরে হামলার বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি খুবই ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় পুলিশ মামলাও করেছে। বাংলাদেশ একটি সম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির দেশ। আমরা আশা করি সবাই সেটি বজায় রাখবেন। আর আমাদের মধ্যে মতবিরোধ তো থাকবেই। তারপরেও আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তা হলে আগামীতে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।

গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে প্রেস সচিব বলেন, তথ্য অধিকার আইনের (আরটিআই) কিছু সহজ করা হয়েছে। সূচিপত্র কীভাবে হবে, কীভাবে রিপোর্ট করবেন, আপনি কীভাবে তথ্যের ওপর আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করবেন, সেসব বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এই সরকার ১৮ মাস ধরে দেশের দায়িত্বে আছে, এই সময়ের মধ্যে সবকিছু তো সম্ভব না। যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেগুলো এই সরকার কাজ করছে।

শফিকুল আলম বলেন, সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় সংস্কার কমিশনের আলোচনার পরই এই গণভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গণভোটের গুরুত্ব বুঝেছে বলেই তো এই আলোচনা। আর এর ফসলই হচ্ছে জুলাই সনদ এবং এটাকেই এখন হ্যাঁ ভোটের জন্য দেওয়া হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলগুলো বলছেন তারা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে, কিন্তু নিজেদের প্রচার নিয়ে হয়তো একটু ব্যস্ত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমরা বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। সবাই জানবে কেন আমাদের হ্যাঁ ভোট দিতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow