এলপি গ্যাস নিয়ে আসছে বড় সুখবর, উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

দেশে তীব্র সঙ্কটের মধ্যে থাকা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে সুখবর মিলেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরাসরি সরকারি উদ্যোগে এলপিজি আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে, যা শিগগিরই সিলিন্ডারের তীব্র ঘাটতি কমাতে এবং খুচরা মূল্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের এলপিজি বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর। ফলে খুচরা দামের ওপর সরকারের কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং সরবরাহ ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে। বিপিসি বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিহত করতে সরকারি উদ্যোগে আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান জানিয়েছেন, “বেসরকারি অপারেটররা নানা জটিলতার কারণে নিয়মিত এলপিজি আমদানি করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। সরকারিভাবে এলপিজি আমদানির মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বিপিসির নিজস্ব অবকাঠামো না থাকায় বেসরকারি অপারেটরদের টার্মিনাল ও খালাস সুবিধা ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ স

এলপি গ্যাস নিয়ে আসছে বড় সুখবর, উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

দেশে তীব্র সঙ্কটের মধ্যে থাকা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে সুখবর মিলেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরাসরি সরকারি উদ্যোগে এলপিজি আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে, যা শিগগিরই সিলিন্ডারের তীব্র ঘাটতি কমাতে এবং খুচরা মূল্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।

জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের এলপিজি বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর। ফলে খুচরা দামের ওপর সরকারের কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং সরবরাহ ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে। বিপিসি বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিহত করতে সরকারি উদ্যোগে আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান জানিয়েছেন, “বেসরকারি অপারেটররা নানা জটিলতার কারণে নিয়মিত এলপিজি আমদানি করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। সরকারিভাবে এলপিজি আমদানির মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বিপিসির নিজস্ব অবকাঠামো না থাকায় বেসরকারি অপারেটরদের টার্মিনাল ও খালাস সুবিধা ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করছে। সরকার শুধুমাত্র আমদানির দায়িত্ব নেবে, আর সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের কাজ বেসরকারি খাত করবে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, “বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নানা কারণে এলপিজি আমদানিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এখন সরকার নিজ দায়িত্বে আমদানি করলে দেশের ভোক্তারা উপকৃত হবেন। আমরা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগাত জানাই।”

বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ১৭ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে, যার ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় গৃহস্থালিতে। যদিও ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি নির্ধারিত দাম ১,৩০৬ টাকা, বাস্তবে অনেক জায়গায় তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভোক্তারা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow