এশিয়ার আট দেশের ১৬ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

পশ্চিম এশিয়াজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর বড় অংশ ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত আটটি দেশে থাকা ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি এতটাই গুরুতর যে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। স্যাটেলাইট ছবি ও বিভিন্ন সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাগুলো মূলত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ যেমন রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো ও যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এসব সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন। একাধিক মার্কিন সূত্র ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্নমত দিলেও কেউ কেউ বলেছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি। আবার কেউ মনে করছেন, কিছু স্থাপনা মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এদিকে যুদ্ধের আর্থিক চাপও বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে অভ্যন্তরীণ কিছু অনুমানে এই ব্যয় ৪০-৫০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।

এশিয়ার আট দেশের ১৬ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
পশ্চিম এশিয়াজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর বড় অংশ ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত আটটি দেশে থাকা ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি এতটাই গুরুতর যে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। স্যাটেলাইট ছবি ও বিভিন্ন সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাগুলো মূলত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ যেমন রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো ও যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এসব সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন। একাধিক মার্কিন সূত্র ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্নমত দিলেও কেউ কেউ বলেছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি। আবার কেউ মনে করছেন, কিছু স্থাপনা মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এদিকে যুদ্ধের আর্থিক চাপও বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে অভ্যন্তরীণ কিছু অনুমানে এই ব্যয় ৪০-৫০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এক সৌদি সূত্র জানিয়েছে, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য বা অপ্রতিরোধ্য নয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরপরই ইরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এরপর শতাধিক দফায় চালানো হামলায় সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও জর্ডানসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। লেবানন ও ইয়েমেনের বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠীও এসব হামলায় ইরানকে সহযোগিতা করেছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow