কক্সবাজারে মন্দিরের সেবায়েত হত্যার রহস্য উন্মোচন ও বিচার দাবি

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের হামজার ডেইল এলাকায় শিব-কালী মন্দিরের সেবায়েত নয়ন সাধু হত্যার ঘটনার ১০ দিন পার হলেও রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জড়িতরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখা।  স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ এপ্রিল রাত প্রায় ৯টার দিকে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি নয়ন সাধুকে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের তিন দিন পর, ২২ এপ্রিল মন্দির থেকে কিছু দূরে একটি গভীর বনাঞ্চল থেকে তার অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা ছিল গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায়। ঘটনার পর সংগঠনের জেলা শাখার নেতারা ঘটনাস্থল ও মন্দির পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে ম

কক্সবাজারে মন্দিরের সেবায়েত হত্যার রহস্য উন্মোচন ও বিচার দাবি

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের হামজার ডেইল এলাকায় শিব-কালী মন্দিরের সেবায়েত নয়ন সাধু হত্যার ঘটনার ১০ দিন পার হলেও রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জড়িতরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখা। 

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ এপ্রিল রাত প্রায় ৯টার দিকে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি নয়ন সাধুকে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের তিন দিন পর, ২২ এপ্রিল মন্দির থেকে কিছু দূরে একটি গভীর বনাঞ্চল থেকে তার অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা ছিল গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায়। ঘটনার পর সংগঠনের জেলা শাখার নেতারা ঘটনাস্থল ও মন্দির পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে মামলার অগ্রগতি জানতে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

তারা আরও হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সনাতনী সম্প্রদায় বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু, সহসভাপতি রাজবিহারী দাশ, যুগ্ম সম্পাদক ডা. পরিমল কান্তি দাশ, স্বপন গুহ, চঞ্চল দাশগুপ্ত, কার্যকরী সদস্য অ্যাডভোকেট অশোক আচার্য্য, সদস্য টিটু দাশসহ অন্যান্য নেতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow