কর্মী নিয়োগ দিয়ে দিনরাত ছাপানো হচ্ছিল জাল টাকা, গ্রেফতার ৩
রাজধানীর উত্তরা ও গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট ও জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদিসহ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি বলছে, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তিনটি মেশিনে জালটাকা ছাপছিল চক্রটি। ঈদ সামনে রেখে এই ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট মজুত করেছেb তারা। আর এই টাকা ছাপানোর জন্য ছাপাখানায় কর্মরত একজন কর্মীকে নিয়োগও দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম। অভিযানে গ্রেফতার হওয়া চক্রের তিন সদস্য হলেন- শরীয়তপুরের মো. মজিবুর রহমান (৩৮), পটুয়াখালীর মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও নেত্রকোনার মো. মামুন (২৫)। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর উত্তরাপূর্ব থানাধীন সমবায় বাজার (বিডিআর) মার্কেটের সামনে এবং পরে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় ডিবির উত্তরা বিভাগ। অভিযানকালে উত্তরাপূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকায় জালটাকা কেনাবেচার সময় মজিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকার জালনোট
রাজধানীর উত্তরা ও গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট ও জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদিসহ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিবি বলছে, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তিনটি মেশিনে জালটাকা ছাপছিল চক্রটি। ঈদ সামনে রেখে এই ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট মজুত করেছেb তারা। আর এই টাকা ছাপানোর জন্য ছাপাখানায় কর্মরত একজন কর্মীকে নিয়োগও দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
অভিযানে গ্রেফতার হওয়া চক্রের তিন সদস্য হলেন- শরীয়তপুরের মো. মজিবুর রহমান (৩৮), পটুয়াখালীর মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও নেত্রকোনার মো. মামুন (২৫)।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর উত্তরাপূর্ব থানাধীন সমবায় বাজার (বিডিআর) মার্কেটের সামনে এবং পরে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় ডিবির উত্তরা বিভাগ।
অভিযানকালে উত্তরাপূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকায় জালটাকা কেনাবেচার সময় মজিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকার জালনোট এবং জালটাকা বিক্রির ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে মজিবুরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুলাল মৃধা ও মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে আরও ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, তিনটি কালার প্রিন্টার, ফয়েল পেপার, সিকিউরিটি ট্যাগ ও জলছাপযুক্ত কাগজ, আংশিক প্রিন্ট করা এক হাজার টাকার নোট, তরল গাম, কাটার এবং জলছাপ বসানোর ডাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে জালটাকা তৈরি করে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ও বিপণিবিতানে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের।
ডিবি জানায়, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চক্রটি ঈদ সামনে রেখে জালটাকা বাজারে ছড়িয়ে দিতে তিনটি মেশিনের মাধ্যমে অনর্গল টাকা ছাপছিল। এসময় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। চক্রটি এরই জালটাকা ছাপাতে প্রেসে (ছাপাখানায়) কর্মরত এক কর্মীকেও নিয়োগ দেয়।
এ ঘটনায় উত্তরাপূর্ব থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
কেআর/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?