কাঁচামাটিয়া নদীর ওপর নড়বড়ে বাসের সাঁকো: ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চর সৈয়দ ভাকুরী নামক স্থানে কাঁচামাটিয়া নদীর উপর একটি নড়বড়ে বাসের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ছয় গ্রামের মানুষ। এই সাঁকোটি এলাকার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসা।স্থানীয় এলাকাবাসী সৈয়দ ভাকুরী গ্রামের মিজানুর রহমান জানান, নদীর দক্ষিণ পাশের তারাকান্দি ভাইদগাঁও, চর সৈয়দ ভাকুরী এবং উত্তর পাশের কাকনহাটি, সৈয়দ ভাকুরী ও দড়ি পাঁচাশী গ্রামের শত শত মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করে। সাঁকোটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া গাফুরিয়া ইসলামপুর মাদ্রাসা ও ভাইদগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উত্তরে ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সরকারি অফিস, আদালত, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং উপজেলার সদর হাটবাজার অবস্থিত। এসব স্থানে যাতায়াতের জন্য এই সাঁকোই এলাকাবাসীর একমাত্র পথ।প্রতি ডিসেম্বর মাসে জামিয়া গাফুরিয়া ইসলামপুর মাদ্রাসার ইসলামী মহা-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই মহা-সম্মেলনে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ initially এই সাঁকোটি নির্মাণ করে। পরে এলাকাবাসী এটি

কাঁচামাটিয়া নদীর ওপর নড়বড়ে বাসের সাঁকো: ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চর সৈয়দ ভাকুরী নামক স্থানে কাঁচামাটিয়া নদীর উপর একটি নড়বড়ে বাসের সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ছয় গ্রামের মানুষ। এই সাঁকোটি এলাকার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় এলাকাবাসী সৈয়দ ভাকুরী গ্রামের মিজানুর রহমান জানান, নদীর দক্ষিণ পাশের তারাকান্দি ভাইদগাঁও, চর সৈয়দ ভাকুরী এবং উত্তর পাশের কাকনহাটি, সৈয়দ ভাকুরী ও দড়ি পাঁচাশী গ্রামের শত শত মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করে। সাঁকোটির দক্ষিণ পাশে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া গাফুরিয়া ইসলামপুর মাদ্রাসা ও ভাইদগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উত্তরে ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সরকারি অফিস, আদালত, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং উপজেলার সদর হাটবাজার অবস্থিত। এসব স্থানে যাতায়াতের জন্য এই সাঁকোই এলাকাবাসীর একমাত্র পথ।

প্রতি ডিসেম্বর মাসে জামিয়া গাফুরিয়া ইসলামপুর মাদ্রাসার ইসলামী মহা-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই মহা-সম্মেলনে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ initially এই সাঁকোটি নির্মাণ করে। পরে এলাকাবাসী এটি মেরামত করে সারা বছর চলাচল করে থাকেন।

ভাইদগাও গ্রামের গোপালচন্দ্র বিশ্বাস জানান, এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ করা হলে ছয় গ্রামের মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং কৃষি পণ্য পরিবহন সহজীকরণের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই গ্রামের গৃহবধূ নিলুফা বেগম জানান, সাঁকোটি পাকা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজে যেতে এবং মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিতে দুই-তিন কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে হয়। তিনি একটি পাকা ব্রিজের মাধ্যমে এই চরম দুর্ভোগের অবসান চান।

ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফা জানান, এখানে একটি ব্রিজ স্থাপন করার জন্য সাবেক সংসদ সদস্য শাহ্ নুরুল কবির শাহীন এবং ফখরুল ইমাম উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে জায়গাটি পরিমাপ করে ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিলেও পরে আর কোনো ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। তিনি বর্তমান সংসদ সদস্যের মাধ্যমে একটি ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, সাঁকোটির দু'পাশে রাস্তা থাকলে জরুরি ভিত্তিতে আবেদন করলে ব্রিজ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হোক।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow