কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাড়ল
মাছের প্রজনন মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি, মজুত ও ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সব ধরনের মৎস্য সম্পদের আহরণের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কাপ্তাই হ্রদ থেকে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ান জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রাঙামাটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হায়দার হোসেনসহ মৎস্য ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতারা। এর আগে ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোয় মৎস্য আহরণ শুরু হবে ১১ আগস্ট মধ্যরাত থেকে। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী নেতারা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়ে বলেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়লেও মাছের গঠন বৃদ্ধি পায়নি। এছাড়া
মাছের প্রজনন মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি, মজুত ও ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সব ধরনের মৎস্য সম্পদের আহরণের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কাপ্তাই হ্রদ থেকে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ান জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রাঙামাটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হায়দার হোসেনসহ মৎস্য ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতারা।
এর আগে ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোয় মৎস্য আহরণ শুরু হবে ১১ আগস্ট মধ্যরাত থেকে।
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী নেতারা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়ে বলেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়লেও মাছের গঠন বৃদ্ধি পায়নি।
এছাড়া এখনো কাপ্তাই হ্রদের পানির রং ঘোলা রয়েছে, যা মাছ আহরণের ক্ষেত্রে বড় বাধা। এ সময় জেলেরা মাছ ধরার ক্ষেত্রে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। তাই কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু বিকাশ, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদের পরিবেশ রক্ষায়ও বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
What's Your Reaction?