কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। নিহতরা হলেন- বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিজিরপুর গ্রামের উত্তর সাতঘড়িয়াপাড়ার নূর ছফার ছেলে নূর নবী হৃদয় (২৫) এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মধুরামপাড়ার বাসিন্দা বিরাজ দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশ (৫৩)। দুর্ঘটনার কয়েক দিন আগে ঠিকাদারের অধীনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন নিহত উজ্জ্বল দাশ। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে নূর নবী হৃদয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে উজ্জ্বল দাশকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গত ১৬ জুলাই সকালে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে নূর নবী হৃদয়ের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ এবং উজ্জ্বল দাশের শরীরের
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।
নিহতরা হলেন- বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিজিরপুর গ্রামের উত্তর সাতঘড়িয়াপাড়ার নূর ছফার ছেলে নূর নবী হৃদয় (২৫) এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মধুরামপাড়ার বাসিন্দা বিরাজ দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশ (৫৩)।
দুর্ঘটনার কয়েক দিন আগে ঠিকাদারের অধীনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন নিহত উজ্জ্বল দাশ।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে নূর নবী হৃদয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে উজ্জ্বল দাশকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গত ১৬ জুলাই সকালে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেড কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে নূর নবী হৃদয়ের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ এবং উজ্জ্বল দাশের শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে যায়। ওই দিনই তাদের চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
এর আগে, দুর্ঘটনার দিন রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শ্রমিক পটিয়ার মোহাম্মদ আলম ও বোয়ালখালীর দিদারুল আলম মারা যান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় পাঁচজনকে আইসিইউতে এবং তিনজনকে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
বোয়ালখালী থানা-পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, কারখানার বড় জেনারেটরসহ কয়েকটি যন্ত্র বিকল থাকায় সেগুলো মেরামতের কাজ চলছিল। এ সময় পাঁচটি ওয়েল্ডিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে শর্ট-সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাতের পর দুটি এসি বিস্ফোরিত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?