কারমাইকেল কলেজে অনিয়মের অভিযোগ, ২৮ জুলাই পর্যন্ত আলটিমেটাম

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজে বিভিন্ন খাতে আদায় করা অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম, উন্নয়নকাজের ধীরগতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না পেলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এসব দাবি তুলে ধরেন মুহাফিজ মোস্তফা, মাহমুদুল হাসান মাসুম ও হাফিজুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৫ সালে কলেজের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তারা ৩৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এর মধ্যে ১২টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এবং ২৫টি কলেজ প্রশাসনের দায়িত্বে ছিল। আন্দোলনের পর কয়েকটি দাবিতে অগ্রগতি হলেও প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ দাবি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের প্রধান ফটক নির্মাণ, লাইব্রেরির আধুনিকায়ন, অ্যাকাডেমিক ভবন ও আবাসিক সুবিধার উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং নিয়মিত খেলাধুলা

কারমাইকেল কলেজে অনিয়মের অভিযোগ, ২৮ জুলাই পর্যন্ত আলটিমেটাম

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজে বিভিন্ন খাতে আদায় করা অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম, উন্নয়নকাজের ধীরগতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলে আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না পেলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এসব দাবি তুলে ধরেন মুহাফিজ মোস্তফা, মাহমুদুল হাসান মাসুম ও হাফিজুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৫ সালে কলেজের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তারা ৩৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এর মধ্যে ১২টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এবং ২৫টি কলেজ প্রশাসনের দায়িত্বে ছিল। আন্দোলনের পর কয়েকটি দাবিতে অগ্রগতি হলেও প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ দাবি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের প্রধান ফটক নির্মাণ, লাইব্রেরির আধুনিকায়ন, অ্যাকাডেমিক ভবন ও আবাসিক সুবিধার উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কার, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষার ফরম পূরণ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য কিছু শিক্ষার্থী অর্থের বিনিময়ে ফরম পূরণের সুযোগ পেলেও অন্তত ৪৩ জন শিক্ষার্থী একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

এ ছাড়া লাইব্রেরি ফি, কলেজ ম্যাগাজিন, দরিদ্র তহবিল, ক্রীড়া, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবহন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের ব্যবহারে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। পাশাপাশি কলেজের নিরাপত্তা জোরদারে প্রধান ফটকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, শ্রেণিকক্ষ মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সমন্বয় সভা আয়োজনের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে কলেজ প্রশাসন যদি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করে, তাহলে নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন মণ্ডল বলেন, শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দাবিগুলো তার কাছে উপস্থাপন করেননি। কলেজে কোথাও অনিয়ম বা দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow