কারাগারে বিশেষ সুবিধা না পেয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ জিওপি নেতা কাজলের বিরুদ্ধে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব পরিচয়দানকারী ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাদক মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগ শেষে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। কারা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রবেশ করেন এবং ২৫ মে জামিনে মুক্তি পান তিনি। একাধিক সূত্রের দাবি, কারাগারে অবস্থানকালে ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কারা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাধারণ বন্দিদের তুলনায় ভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে তদবির ও চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ নিয়মবহির্ভূত কোনো সুবিধা না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার থে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব পরিচয়দানকারী ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাদক মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগ শেষে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে।
কারা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলাসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রবেশ করেন এবং ২৫ মে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
একাধিক সূত্রের দাবি, কারাগারে অবস্থানকালে ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কারা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাধারণ বন্দিদের তুলনায় ভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে তদবির ও চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ নিয়মবহির্ভূত কোনো সুবিধা না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া হাজতি বন্দি গোলাম সারোয়ার জিহাদ দাবি করেন, কারাগারে অবস্থানকালে ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কারা হাসপাতালের ওয়ার্ডে অবস্থান করাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী অসুস্থ বন্দিদেরই সেখানে রাখা হয়।
এদিকে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়া ভৈরবের দুই ব্যক্তি আকাশ ও রাকিবের দাবি, কারাগারে অবস্থানকালে কাজলের আচরণ নিয়ে বন্দিদের মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কিছু বন্দির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতেন এবং প্রায়ই উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করতেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও তাকে নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক কর্মী দাবি করেন, গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে অন্য একটি রাজনৈতিক জোট-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের অভিযোগও স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তের পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইমতিয়াজ আহমেদ কাজলকে দলীয় সাংগঠনিক স্বার্থে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করেন। পরবর্তীতে জেলা কার্যালয়ে এসে উপযুক্ত কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।
What's Your Reaction?