কারিগরি শিক্ষায় ঝুঁকছে মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং খাতকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এসপিএম পাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিভেট শিক্ষায় অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পুত্রাজায়ায় অনুষ্ঠিত জাতীয় টিভেট কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি। এতে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদমন্ত্রী দাতো’ স্রি রামানান রামাকৃষ্ণনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বৈঠকে জানানো হয়, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ কর্মশক্তি তৈরিতে টিভেটকে প্রধান পথ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনা (আরএমকে ১৩) বাস্তবায়নের শেষ নাগাদ এসপিএম পাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিভেটে অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টিভেট শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার প্রায় ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা তরুণদের মধ্যে এই শিক্ষাব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দেয়।
মালয়েশিয়ায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং খাতকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এসপিএম পাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিভেট শিক্ষায় অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পুত্রাজায়ায় অনুষ্ঠিত জাতীয় টিভেট কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি। এতে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদমন্ত্রী দাতো’ স্রি রামানান রামাকৃষ্ণনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
বৈঠকে জানানো হয়, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ কর্মশক্তি তৈরিতে টিভেটকে প্রধান পথ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনা (আরএমকে ১৩) বাস্তবায়নের শেষ নাগাদ এসপিএম পাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিভেটে অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টিভেট শিক্ষায় অংশগ্রহণের হার প্রায় ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা তরুণদের মধ্যে এই শিক্ষাব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দেয়।
বৈঠকে টিভেট শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বেশ কয়েকটি কৌশলগত উদ্যোগ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ জোরদার করা। ট্যালেন্ট কর্পোরেশন মালয়েশিয়া পরিচালিত ‘ভেটেরান মাইউইরা’ উদ্যোগের আওতায় পেরহেবাত-এর সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এর আগে এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ হাজার ৩৯ জন সাবেক সেনা সদস্যকে নতুন অর্থনৈতিক খাতে কাজের সুযোগ পেতে সহায়তা করা হয়েছে।
এছাড়া বৈশ্বিক ডিজিটাল বাজারে আয়ের সুযোগ বাড়াতে ডিজিটাল ফ্রিল্যান্সিং টিভেট প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে টিভেটপ্রেনারস উদ্যোগেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
টিভেট পার্তানিয়ান কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি ও অ্যাগ্রো-ফুড খাতে দক্ষ কর্মী তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাহফিজ শিক্ষার্থীদের জন্যও নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তারা এখন মালয়েশিয়ান স্কিলস সার্টিফিকেট (এসকেএম) লেভেল-৪ অর্জন করতে পারবে, যা ডিপ্লোমার সমমান হিসেবে স্বীকৃত।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, জাতীয় টিভেট দিবস ২০২৬ আগামী ৫ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত পুত্রাজায়া স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে টিভেট প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি ও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এমআরএম/জেআইএম
What's Your Reaction?