কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাত, লন্ডভন্ড হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টির সঙ্গে দেখা গেছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল থেকে সোমবার ভোর রাতের মধ্যে দুই দফায় বৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। এতে জেলার শহর ও গ্রামাঞ্চলে গাছপালা উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকেল থেকেই আকাশে কালো মেঘ জমতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে শুরু হয় দমকা হাওয়া, যা দ্রুতই তীব্র ঝড়ে রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে ছিল বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টি। ঝড়ের তাণ্ডবে শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনেক স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ছিঁড়ে পড়ায় পুরো জেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাটের সাইনবোর্ড ভেঙে পড়ে এবং টিনশেড ঘরবাড়ির চাল উড়ে যায়। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের বসতঘরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  জেলার মাধবপুর, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, লাখাই ও বানিয়াচং উপজেলাতেও একই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গ্রামাঞ্চলে অনেক কৃষকের বোরো ধান ঝড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, যা নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। ইতোমধ্যে ধান কাটার মৌসুম চলায় এটি কৃষক

কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাত, লন্ডভন্ড হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টির সঙ্গে দেখা গেছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল থেকে সোমবার ভোর রাতের মধ্যে দুই দফায় বৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। এতে জেলার শহর ও গ্রামাঞ্চলে গাছপালা উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকেল থেকেই আকাশে কালো মেঘ জমতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে শুরু হয় দমকা হাওয়া, যা দ্রুতই তীব্র ঝড়ে রূপ নেয়। ঝড়ের সঙ্গে ছিল বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টি। ঝড়ের তাণ্ডবে শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনেক স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ছিঁড়ে পড়ায় পুরো জেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাটের সাইনবোর্ড ভেঙে পড়ে এবং টিনশেড ঘরবাড়ির চাল উড়ে যায়। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের বসতঘরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

জেলার মাধবপুর, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, লাখাই ও বানিয়াচং উপজেলাতেও একই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গ্রামাঞ্চলে অনেক কৃষকের বোরো ধান ঝড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, যা নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। ইতোমধ্যে ধান কাটার মৌসুম চলায় এটি কৃষকদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দিয়েছে। ঝড়ের কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। গাছ পড়ে সড়ক অবরুদ্ধ হওয়ায় অনেক জায়গায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গাছ সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।  

পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর মোর্শেদ জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ 

দ্রুত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন৷

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow