কালুখালীতে পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ প্রতিরোধে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

রাজবাড়ীর কালুখালীতে পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ প্রথা বন্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে পাইকার ও আড়তদারদের ‘ধলতা’ ( অতিরিক্ত পূন্য ) গ্রহণ না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে বাজারে উপস্থিত কৃষকদেরও ‘ধলতা’ না দিতে উৎসাহিত করা হয়, যাতে তারা ন্যায্য দামে ও সঠিক ওজনে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এ সময় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকারের জারি করা নির্দেশনার বিষয়েও ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজ, আলুসহ কৃষিপণ্য ক্রয়ের সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী ‘ধলতা’ বা ‘শুকনা’ নামে অতিরিক্ত পণ্য আদায় করে থাকেন। এতে ৪০ কেজি পণ্যের বিপরীতে ৪২ কেজি থেকে ৪৫/৪৬ কেজি পর্যন্ত দিতে কৃষকদের বাধ্য করা হয়, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রম “ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮” অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি রোধ এবং বাজারে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এ প্রথা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপ

কালুখালীতে পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ প্রতিরোধে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

রাজবাড়ীর কালুখালীতে পেঁয়াজ বাজারে ‘ধলতা’ প্রথা বন্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে পাইকার ও আড়তদারদের ‘ধলতা’ ( অতিরিক্ত পূন্য ) গ্রহণ না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে বাজারে উপস্থিত কৃষকদেরও ‘ধলতা’ না দিতে উৎসাহিত করা হয়, যাতে তারা ন্যায্য দামে ও সঠিক ওজনে পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

এ সময় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকারের জারি করা নির্দেশনার বিষয়েও ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজ, আলুসহ কৃষিপণ্য ক্রয়ের সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী ‘ধলতা’ বা ‘শুকনা’ নামে অতিরিক্ত পণ্য আদায় করে থাকেন। এতে ৪০ কেজি পণ্যের বিপরীতে ৪২ কেজি থেকে ৪৫/৪৬ কেজি পর্যন্ত দিতে কৃষকদের বাধ্য করা হয়, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও ক্ষতিকর।

এ ধরনের কার্যক্রম “ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮” অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি রোধ এবং বাজারে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এ প্রথা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ধলতা’ নামে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়া সম্পূর্ণ বে-আইনি এবং এটি কৃষকদের সাথে প্রতারণার শামিল। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow