কিশোরকে বিবস্ত্র করে চুল কেটে নির্যাতন

বগুড়ার শেরপুরে খেলাধুলার বিরোধকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে আটকে বিবস্ত্র করে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।  মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে শেরপুর থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বাবা। নির্যাতনের শিকার কিশোর উপজেলার হামছায়াপুর গ্রামের বসিন্দা। সে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মার্চ দুপুরে খেলাধুলা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই কিশোরকে আটক করে কয়েকজন যুবক। পরে খন্দকারটোলা এলাকায় নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। নির্যাতনের কারণে ওই কিশোর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে কিশোরের বাবা মঙ্গলবার রাতে শেরপুর থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একই রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি মোতালেব আলভীকে (১৯) গ্রেপ্তার করে।  গ্রেপ্তার আলভীর বাড়ি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বেংনাই গ্রামে। তিনি শেরপুর উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর

কিশোরকে বিবস্ত্র করে চুল কেটে নির্যাতন

বগুড়ার শেরপুরে খেলাধুলার বিরোধকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে আটকে বিবস্ত্র করে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে শেরপুর থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

নির্যাতনের শিকার কিশোর উপজেলার হামছায়াপুর গ্রামের বসিন্দা। সে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মার্চ দুপুরে খেলাধুলা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই কিশোরকে আটক করে কয়েকজন যুবক। পরে খন্দকারটোলা এলাকায় নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। নির্যাতনের কারণে ওই কিশোর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে কিশোরের বাবা মঙ্গলবার রাতে শেরপুর থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একই রাতেই এজাহারভুক্ত আসামি মোতালেব আলভীকে (১৯) গ্রেপ্তার করে। 

গ্রেপ্তার আলভীর বাড়ি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বেংনাই গ্রামে। তিনি শেরপুর উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করতেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া মোতালেব মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যহত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow