কিশোরগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান: ভাঙা হচ্ছে বৈধ দোকানের অবৈধ অংশ
কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এবং যানজট কমাতে কঠোর অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের সহজে চলাচলের জন্য বুধবার (৩ জুন) থেকে শহরজুড়ে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। বেলা ১১টায় শহরের বটতলা মোড় এলাকায় এই যৌথ অভিযানের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। জানা গেছে, যানজট কমাতে কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের বড় উচ্ছেদ অভিযান এটি। প্রথম ধাপে ভাঙা হচ্ছে স্থায়ী দোকানের বাইরের অবৈধ বর্ধিত অংশ। উচ্ছেদের আগে দখলদারদের সতর্ক করতে ৬বার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে শহরের বটতলা মোড় থেকে একরামপুর মোড় পর্যন্ত ফুটপাতে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করতে প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে ছয়বার নোটিশ, গণবিজ্ঞপ্তি ও মাইকিং করে দখলদারদের সতর্কও করা হয়েছে। এসপি আরও বলেন, প্রথম ধাপে বড় বড় দোকানদারদের অবৈধ এক্সটেনশন (বর্ধিত অংশ) ভাঙা হচ্ছে। অর্থাৎ
কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এবং যানজট কমাতে কঠোর অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের সহজে চলাচলের জন্য বুধবার (৩ জুন) থেকে শহরজুড়ে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।
বেলা ১১টায় শহরের বটতলা মোড় এলাকায় এই যৌথ অভিযানের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে।
জানা গেছে, যানজট কমাতে কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের বড় উচ্ছেদ অভিযান এটি। প্রথম ধাপে ভাঙা হচ্ছে স্থায়ী দোকানের বাইরের অবৈধ বর্ধিত অংশ। উচ্ছেদের আগে দখলদারদের সতর্ক করতে ৬বার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে শহরের বটতলা মোড় থেকে একরামপুর মোড় পর্যন্ত ফুটপাতে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করতে প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে ছয়বার নোটিশ, গণবিজ্ঞপ্তি ও মাইকিং করে দখলদারদের সতর্কও করা হয়েছে।
এসপি আরও বলেন, প্রথম ধাপে বড় বড় দোকানদারদের অবৈধ এক্সটেনশন (বর্ধিত অংশ) ভাঙা হচ্ছে। অর্থাৎ স্থায়ী দোকানের বাইরে ফুটপাত দখল করে রাখা অতিরিক্ত অংশ উচ্ছেদ করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে হাঁটতে পারেন। এর পরের ধাপে সড়ক দখল করে থাকা ভ্যানচালকদের জন্য বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
অভিযানের বিষয়ে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান বলেন, শহরে যানজট এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক সড়ক এখন চলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকরা যানজট দূর করা এবং রাস্তা বড় করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা সরাতে বারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশও সতর্ক করেছে। এরপরও যারা নিজে থেকে দোকান সরাননি, আজ তাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান। অভিযানে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ জেলা ও পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।
জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খালেদ হাসান জুম্মন জানান, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসানোর কারণে পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছিল। ফুটপাতে জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে মানুষ মূল সড়ক দিয়ে হাঁটছিল, যার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল।
এদিকে প্রশাসনের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, ফুটপাত পুরোপুরি ফাঁকা থাকলে এবং নিয়মিত তদারকি করা হলে শহরের তীব্র যানজট অনেকটাই কমে আসবে।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল হক, কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলামসহ জেলা পুলিশ ও পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এসকে রাসেল/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?