কীর্তিনাশা নদীতে ভাসছিল কিশোরের মরদেহ, ৯৯৯-এ কল পেয়ে উদ্ধার
শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদী থেকে সাজ্জাদ (১৭) নামের এক নিখোঁজ বিশেষ চাইল্ড (মানসিক ও শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন) কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বিকেলে শরীয়তপুর পৌরসভার রাজগঞ্জ এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। নিহত সাজ্জাদ জন্ম থেকেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর ছোটবেলা থেকেই তিনি জেলার তুলাশার ইউনিয়নের ২২ রশি গ্রামে মামার বাড়িতে বসবাস করতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদের কিছু অস্বাভাবিক আচরণের কারণে পরিবারকে তার নিরাপত্তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকতে হতো। মাঝেমধ্যে সুযোগ পেলেই সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত এবং পরে খোঁজাখুঁজির মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনা হতো। স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে সাজ্জাদ হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দিনভর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে বুধবার সকালে পালং মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার মামা শাকিল। জিডি করার কয়েক ঘণ্টার মাথায় বুধবার বিকেলে রাজগঞ্জ এলাকায় কীর্তিনাশা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ
শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদী থেকে সাজ্জাদ (১৭) নামের এক নিখোঁজ বিশেষ চাইল্ড (মানসিক ও শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন) কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বিকেলে শরীয়তপুর পৌরসভার রাজগঞ্জ এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
নিহত সাজ্জাদ জন্ম থেকেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর ছোটবেলা থেকেই তিনি জেলার তুলাশার ইউনিয়নের ২২ রশি গ্রামে মামার বাড়িতে বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদের কিছু অস্বাভাবিক আচরণের কারণে পরিবারকে তার নিরাপত্তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকতে হতো। মাঝেমধ্যে সুযোগ পেলেই সে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত এবং পরে খোঁজাখুঁজির মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনা হতো।
স্বজনরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে সাজ্জাদ হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দিনভর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে বুধবার সকালে পালং মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার মামা শাকিল।
জিডি করার কয়েক ঘণ্টার মাথায় বুধবার বিকেলে রাজগঞ্জ এলাকায় কীর্তিনাশা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল দেন। খবর পেয়ে পালং মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিখোঁজ সাজ্জাদের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি সাজ্জাদের বলে শনাক্ত করেন।
ভাগ্নের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাভিভূত মামা শাকিল বলেন, আমার ভাগ্নেটি জন্ম থেকেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছিল। গতকাল সকাল থেকে তাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আজ সকালে থানায় জিডি করার পর বিকেলে খবর পাই নদীতে লাশ পাওয়া গেছে। এসে দেখি আমার ভাগ্নে আর বেঁচে নেই।
পালং মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৯৯৯ থেকে তথ্য পেয়ে আমরা কীর্তিনাশা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। পরিবারের সদস্যরা এসে সাজ্জাদকে শনাক্ত করেছেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?