কুমিরের আক্রমণে নিহত ফাতেমার দাফন সম্পন্ন
বাগেরহাটে হয়রত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতেমা আক্তারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে মাজারের পাশেই জানাজা নামাজ পড়ানো হয়। পরে মাজার সংলগ্ন একটি গণকবরস্থানে দাফন করা হয়। তবে জেলা প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এর আগে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় ফাতেমা গোসল করতে নামলে কুমির তাকে টেনে নিয়ে যায়। ফাতেমা মাজারে ভবঘুরে হিসেবে থাকা এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। ঘটনার সময় ফাতেমার চিৎকারে মাজারে থাকা স্থানীয়রা ইট মেরে ও দিঘিতে নেমে উদ্ধারের চেষ্টা করে। তবে কুমির শিশুটিকে দ্রুত পানির ভেতরে নিয়ে যায়। এসময় তিনবার তাকে বিভিন্ন স্থানে দেখা গেলেও এরপর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে স্থানীয়, স্বেচ্ছাসেবক, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা উদ্ধারে চেষ্টা করে। এছাড়া নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটি এ এলাকায়ই ঘুরে বেড়াত। জেলা প্রশাসনসহ সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাজারের পাশেই তার জানাজা হয়েছে। স্থানীয় গণকবরে দাফন করা হয়েছে। বাগেরহাটে
বাগেরহাটে হয়রত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতেমা আক্তারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে মাজারের পাশেই জানাজা নামাজ পড়ানো হয়। পরে মাজার সংলগ্ন একটি গণকবরস্থানে দাফন করা হয়। তবে জেলা প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ময়নাতদন্ত করা হয়নি।
এর আগে সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় ফাতেমা গোসল করতে নামলে কুমির তাকে টেনে নিয়ে যায়। ফাতেমা মাজারে ভবঘুরে হিসেবে থাকা এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। ঘটনার সময় ফাতেমার চিৎকারে মাজারে থাকা স্থানীয়রা ইট মেরে ও দিঘিতে নেমে উদ্ধারের চেষ্টা করে। তবে কুমির শিশুটিকে দ্রুত পানির ভেতরে নিয়ে যায়।
এসময় তিনবার তাকে বিভিন্ন স্থানে দেখা গেলেও এরপর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে স্থানীয়, স্বেচ্ছাসেবক, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা উদ্ধারে চেষ্টা করে। এছাড়া নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়।
হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটি এ এলাকায়ই ঘুরে বেড়াত। জেলা প্রশাসনসহ সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাজারের পাশেই তার জানাজা হয়েছে। স্থানীয় গণকবরে দাফন করা হয়েছে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য আপাতত কুমিরটি অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে। খাঁচা বা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে আবার কুমির আনা হবে। এছাড়া মাজারে স্থায়ীভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, ঘটনাটি মাজারের ঐতিহ্য প্রশ্নবিদ্ধ করে। এরকম ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নাহিদ ফরাজী/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?