কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম এ ঘটনায় হল প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে ১৫-১৬ শিক্ষার্থীর একটি দল জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এ সময় তার মোবাইল ফোনও অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই নির্যাতনের ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিরাপত্তার অভাবে হল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভুক্তভোগী তার অভিযোগে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেছেন, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আরিফুল ইসলাম তার লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেন, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম এ ঘটনায় হল প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে ১৫-১৬ শিক্ষার্থীর একটি দল জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এ সময় তার মোবাইল ফোনও অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই নির্যাতনের ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিরাপত্তার অভাবে হল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভুক্তভোগী তার অভিযোগে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেছেন, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আরিফুল ইসলাম তার লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেন, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকারী মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম পরে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এটি ভুল বুঝাবুঝি ছিলো। তত্ত্বাবধায়ক স্যার যে সমাধান দিয়েছেন তাতে আমি খুশি। এরপর তিনি আরও জানান, আমি স্যারের কাছে আমার নিরাপত্তার বিষয়টি জানিয়েছি। স্যার বলেছেন, ভয় নেই। কোনো সমস্যা হবে না। এ বিষয়ে হলের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ সিপন মিয়া সোমবার সকালে বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে ছাত্রদলের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা সঠিক নয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow