কুমিল্লায় পিকআপ চালক হত্যার ঘটনায় দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় পিকআপ চালক মো. ইব্রাহীম (৩০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ও নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে র‌্যাব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গত ১২ জুলাই দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিকআপচালক মো. ইব্রাহীমের লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইব্রাহীম পেশায় একজন পিকআপচালক ছিলেন। তিনি পাঁচ-ছয় মাস আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানেরা গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। দ্বিতীয় বিয়ের পরও তিনি প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণের খরচ দিতেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা আক্তারের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ৯ জুলাই দুপুর ১২টা থেকে ১২ জুলাই দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় রেহেনা আক্তার অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সহায়তায় ইব্রাহীমকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেব

কুমিল্লায় পিকআপ চালক হত্যার ঘটনায় দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় পিকআপ চালক মো. ইব্রাহীম (৩০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ও নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে র‌্যাব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গত ১২ জুলাই দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিকআপচালক মো. ইব্রাহীমের লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইব্রাহীম পেশায় একজন পিকআপচালক ছিলেন। তিনি পাঁচ-ছয় মাস আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানেরা গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। দ্বিতীয় বিয়ের পরও তিনি প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণের খরচ দিতেন।

এ বিষয়কে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা আক্তারের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ৯ জুলাই দুপুর ১২টা থেকে ১২ জুলাই দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় রেহেনা আক্তার অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সহায়তায় ইব্রাহীমকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে লাশ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ১৪ জুলাই বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।

র‌্যাব জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ আগস্ট বিকেলে র‌্যাব সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের দাবারগাঁও এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি রেহেনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার বুড়িচং থানায় নেয়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow