কুয়াকাটায় অসহনীয় লোডশেডিংয়ে নাজেহাল পর্যটক
দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার পর্যটন খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) শেষ বিকেলে সরেজমিনে কুয়াকাটা সৈকত ঘুরে দেখা যায়, সৈকতসহ আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলো প্রায় পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় হোটেল-মোটেলগুলোতে স্বাভাবিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে অনেক পর্যটক অস্বস্তিতে পড়ে তাদের অবস্থান সংক্ষিপ্ত করছেন, আবার অনেকে আগেই বুকিং বাতিল করছেন। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটকরা আরামদায়ক পরিবেশ না পেলে এখানে থাকতে চান না। দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সেবার মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বুকিং বাতিল হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে পর্যটকদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার পর্যটন খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) শেষ বিকেলে সরেজমিনে কুয়াকাটা সৈকত ঘুরে দেখা যায়, সৈকতসহ আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলো প্রায় পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় হোটেল-মোটেলগুলোতে স্বাভাবিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে অনেক পর্যটক অস্বস্তিতে পড়ে তাদের অবস্থান সংক্ষিপ্ত করছেন, আবার অনেকে আগেই বুকিং বাতিল করছেন।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটকরা আরামদায়ক পরিবেশ না পেলে এখানে থাকতে চান না। দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সেবার মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বুকিং বাতিল হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে পর্যটকদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। অনেকেই মাঝপথে ভ্রমণ পরিকল্পনা বাতিল করছেন। এতে ট্যুর অপারেটরদের আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
এদিকে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, অধিকাংশ হোটেল এখন জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু জ্বালানির দাম বেশি হওয়ায় খরচ বাড়ছে, আবার পর্যাপ্ত তেলও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ জোনের ডিজিএম মোস্তফা আমিনুর রাশেদ জানান, জাতীয় গ্রিডে জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, পর্যটন খাত সচল রাখতে আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করছি। দ্রুত সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পান।
What's Your Reaction?