কোটা জালিয়াতি: পিএসসির সাবেক ১৪ সদস্যসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের বৈধ সনদ না থাকা সত্ত্বেও কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে পিএসসির সাবেক ১৩ সদস্য, এক সাবেক সচিব এবং চাকরি পাওয়া ৬ ক্যাডার কর্মকর্তাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। অনুমোদিত মামলাগুলোর আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন পিএসসির একাধিক সাবেক সদস্য ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তারা হলেন— এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান। এছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই এম নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদ। আর চাকরি পাওয়া ৬ ক্যাডার কর্মকর্তা হলেন- রকিবুর রহমান খান, তোফ

কোটা জালিয়াতি: পিএসসির সাবেক ১৪ সদস্যসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের বৈধ সনদ না থাকা সত্ত্বেও কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে পিএসসির সাবেক ১৩ সদস্য, এক সাবেক সচিব এবং চাকরি পাওয়া ৬ ক্যাডার কর্মকর্তাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

অনুমোদিত মামলাগুলোর আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন পিএসসির একাধিক সাবেক সদস্য ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তারা হলেন— এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান।

এছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই এম নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদ।

আর চাকরি পাওয়া ৬ ক্যাডার কর্মকর্তা হলেন- রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।

অনুমোদিত মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের সুপারিশ অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে চাকরিপ্রার্থী ও সনদ যাচাইয়ে দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

এসএম/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow