ক্যাটাগরি-৩ তে একমাত্র প্রার্থী সিরাজুদ্দিন মো. আলমগীর
বারবার বলা হচ্ছে নিরুত্তাপ নির্বাচন। নিরুত্তাপ এই কারণে যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন মানেই বাড়তি উত্তেজনা, খবরের ভেতরের খবর এবং কোনো না কোনো প্রশ্ন ওঠা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সে অর্থে তেমন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে, নির্বাচন করার মতো প্রার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। যদিও পরিসংখ্যান ঠিক সে কথা বলছে না। আজ শেষ বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি একটি ব্রিফ করল। সেই ব্রিফিংয়ে জানিয়ে দেওয়া হলো, ক্যাটাগরি-১, মানে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে ১৯ জন মনোনয়নপত্র তুলেছেন। ৮ জন আজ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ জেলা ও বিভাগের ১৯ কাউন্সিলর সাকুল্যে মনোনয়ন তুলেছেন। এখানে বলে রাখা ভালো, জেলা ও বিভাগের ৭১ জন কাউন্সিলর আছেন, নির্বাচিত হবেন ১০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং খুলনা বিভাগ থেকে দুজন করে ছয়জন এবং বাকি সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর থেকে একজন করে। এই ১০ জন। জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ১৯ জন মনোনয়ন তুলেছেন, ৮ জন আজ (বৃহস্পতিবার) নির্ধারিত সময়ে জমা দিয়েছেন। তাদের নামধাম প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। একইভাবে ঢাকার প্রিমিয়ার, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ,
বারবার বলা হচ্ছে নিরুত্তাপ নির্বাচন। নিরুত্তাপ এই কারণে যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন মানেই বাড়তি উত্তেজনা, খবরের ভেতরের খবর এবং কোনো না কোনো প্রশ্ন ওঠা।
কিন্তু এবারের নির্বাচনে সে অর্থে তেমন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে, নির্বাচন করার মতো প্রার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। যদিও পরিসংখ্যান ঠিক সে কথা বলছে না। আজ শেষ বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি একটি ব্রিফ করল। সেই ব্রিফিংয়ে জানিয়ে দেওয়া হলো, ক্যাটাগরি-১, মানে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে ১৯ জন মনোনয়নপত্র তুলেছেন।
৮ জন আজ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ জেলা ও বিভাগের ১৯ কাউন্সিলর সাকুল্যে মনোনয়ন তুলেছেন। এখানে বলে রাখা ভালো, জেলা ও বিভাগের ৭১ জন কাউন্সিলর আছেন, নির্বাচিত হবেন ১০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং খুলনা বিভাগ থেকে দুজন করে ছয়জন এবং বাকি সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর থেকে একজন করে। এই ১০ জন।
জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ১৯ জন মনোনয়ন তুলেছেন, ৮ জন আজ (বৃহস্পতিবার) নির্ধারিত সময়ে জমা দিয়েছেন। তাদের নামধাম প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। একইভাবে ঢাকার প্রিমিয়ার, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগসহ- ৭৬ ক্লাবের ১৯ জন মনোনয়ন তুলেছেন। বলে রাখা ভালো, মনোনয়ন তোলার দিন কিন্তু আজই শেষ হয়ে গেছে। এখন আর নতুন করে কোনো ক্যাটাগরিতেই মনোনয়নপত্র তোলা যাবে না।
ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরিতে যে ১৯ জন মনোনয়ন তুলেছেন, তাদের মধ্যে ১৪ জন জমা দিয়েছেন। বাকি ৫ জন দেননি। এখন তারা দেবেন কি দেবেন না, সেটা শুক্রবার বোঝা যাবে। বিকেল ৪টার মধ্যেই জানা যাবে যে ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরি, অর্থাৎ ক্যাটাগরি-২ থেকে কারা নির্বাচন করবেন এবং কোন কোন ক্লাবের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।
যদি শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে আর কোনো মনোনয়নপত্র জমা না পড়ে, উপরন্তু যদি কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন এবং সেটা যদি সংখ্যায় ১২ জন থাকে, তাহলে হয়তো ক্লাব পর্যায়েও আর কোনো নির্বাচন হবে না।
এদিকে আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার ক্লাব পর্যায়ে তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইব্রাহিম আহমেদ, ফয়সাল হোসেন, ইয়াসির আব্বাস, শাহনিয়ান তানিম, মাসুদুজ্জামান- এই ধরনের পরিচিত প্রার্থীরা সবাই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ক্যাটাগরি-৩ এ। এখানে জানা যাচ্ছিল, নির্বাচন হতে পারে বা ধরেই নেওয়া হয়েছিল এই একটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচনের সম্ভাবনা খুব বেশি। এটা বলে রাখা ভালো, সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, সার্ভিসেস এবং সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলররাই এই ক্যাটাগরির ভোটার।
তাদের মধ্যে একটি মাত্র পদ। সেই পদের জন্য ধারণা করা হচ্ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেবব্রত পাল ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ নির্বাচন করতে পারেন।
কিন্তু আজ নির্বাচন কমিশন জানিয়ে গেল যে, একজনই মনোনয়ন তুলেছেন এবং একজনই জমা দিয়েছেন। তার মানে ক্যাটাগরি থ্রিতে নতুন করে কারও আর মনোনয়নপত্র তোলার কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ নতুন আর কোনো প্রার্থী হতে পারবেন না।
একজনই তুলেছেন, একজনই জমা দিয়েছেন। তিনি নাম বলেননি, তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সেই নামটি সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর; যিনি এর আগেও বোর্ডে ছিলেন এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত মুখ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর হলেও তিনি বিভিন্ন সময় চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বেও ছিলেন।
কাজেই নির্বাচন কমিশন তাদের অবস্থানগত কারণে এখনই বেসরকারিভাবে সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে না পারলেও এটা ধরেই নেওয়া যায়, ক্যাটাগরি-৩ থেকে তিনি যেহেতু একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলেছেন এবং জমা দিয়েছেন, কাজেই তার মনোনয়ন বাতিল না হলে এবং বৈধ থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।
এই ছিল আজকের নির্বাচনের খবর। এখন আগামীকাল (শুক্রবার) নতুন করে যদি আর কেউ ক্যাটাগরি-১ এবং ২-এ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন, সেটা ভিন্ন কথা। কিংবা নতুন করে কেউ যদি জমা দেন, কারণ ক্যাটাগরি-১ এ আরও দুজন পরিচালক পদ খালি আছে।
১৯ জন তুলেছেন, ৮ জন জমা দিয়েছেন, যেখানে নির্বাচিত হবেন ১০ জন। আবার উল্টো ঘটনা হচ্ছে ক্যাটাগরি-২, ক্লাব ক্যাটাগরিতে। সেখানে নির্বাচিত হবেন ১২ জন, মনোনয়ন তুলেছেন ১৯ জন, জমা দিয়েছেন ১৪ জন। এই ১৪ জনের মধ্যে যদি দু’জন প্রত্যাহার করে নেন, তাহলে কিন্তু ১২ জনই থাকবে এবং আর নির্বাচন হবে না।
কাজেই শেষ পর্যন্ত ক্যাটাগরি এক ও দুইয়ে নির্বাচন হয় কি না, সেটাই দেখার। কিন্তু যে ক্যাটাগরিতে ধরে নেওয়া হয়েছিল নির্বাচন হবে, সেই ক্যাটাগরি-৩ থেকে আর নির্বাচন হচ্ছে না। প্রার্থিতা বৈধতা পেলে, অর্থাৎ মনোনয়নপত্র বাতিল না হলে, ক্যাটাগরি-৩ থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের পরিচালক নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
এআরবি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?