ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন মাতিয়া বানু শুকু, সরকারের সহায়তা কামনা
কঠিন একটি সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন গুণী নির্মাতা ও নাট্যকার মাতিয়া বানু শুকু। ক্যানসারে আক্রান্ত এই নির্মাতার চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন তারা। প্রায় আট মাস আগে শুকুর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে নিয়মিত কেমোথেরাপি ও অন্যান্য থেরাপি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে কেমো এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর থেরাপি নিতে হচ্ছে। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক চাপে ফেলেছে। শুকুর স্বামী নির্মাতা নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘শিল্পীজীবনে কোনো আর্থিক নিরাপত্তা বা পেনশন না থাকায় এমন কঠিন সময়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। হঠাৎ অসুস্থতায় পরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি হয়।’ তিনি আরও জানান, বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ইতোমধ্যে শুকুর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন, তবে দীর্ঘমেয়াদে তা যথেষ্ট নয়। চিকিৎসার জন্য খুব শিগগিরই আবারও তাকে চেন্নাইয়ে যেতে হবে। এ জন্য ভিসা আবেদনও করা হয়েছে। সরকারের সহায়তা কামনা করে আতিক বলেন, ‘এই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে রাষ্ট্রীয় সহায়তা অত্যন্ত জরুরি
কঠিন একটি সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন গুণী নির্মাতা ও নাট্যকার মাতিয়া বানু শুকু। ক্যানসারে আক্রান্ত এই নির্মাতার চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন তারা।
প্রায় আট মাস আগে শুকুর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে নিয়মিত কেমোথেরাপি ও অন্যান্য থেরাপি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে কেমো এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর থেরাপি নিতে হচ্ছে। ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক চাপে ফেলেছে।
শুকুর স্বামী নির্মাতা নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘শিল্পীজীবনে কোনো আর্থিক নিরাপত্তা বা পেনশন না থাকায় এমন কঠিন সময়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। হঠাৎ অসুস্থতায় পরিবারের ওপর বড় চাপ তৈরি হয়।’
তিনি আরও জানান, বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ইতোমধ্যে শুকুর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন, তবে দীর্ঘমেয়াদে তা যথেষ্ট নয়। চিকিৎসার জন্য খুব শিগগিরই আবারও তাকে চেন্নাইয়ে যেতে হবে। এ জন্য ভিসা আবেদনও করা হয়েছে।
সরকারের সহায়তা কামনা করে আতিক বলেন, ‘এই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে রাষ্ট্রীয় সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। সরকার পাশে দাঁড়ালে কৃতজ্ঞ থাকব আমরা। সকলের কাছে শুকুর জন্য দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করি, যাতে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার সৃষ্টিশীল কাজে ফিরতে পারে।’
উল্লেখ্য, ভাষাসৈনিক প্রয়াত আব্দুল মতিনের (ভাষা মতিন) বড় মেয়ে শুকু দীর্ঘদিন ধরে নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত। দর্শকমহলেও তিনি সুপরিচিত। তার নির্মিত ধারাবাহিকের মধ্যে ‘গোল্লাছুট’, ‘টু-লেট’, ‘একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি’ উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবেও সফল তিনি। তার প্রযোজিত সিনেমা ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ অর্জন করেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
What's Your Reaction?