ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে সংলাপে বসার আহ্বান ছাত্রশক্তির

  বাংলাদেশের ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে এক টেবিলে বসার আহ্বান জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসকে শান্ত রাখার আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। পাশাপাশি ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে আহ্বান জানাই-সব ছাত্র সংগঠন এক টেবিলে বসে আলোচনা করি, ক্যাম্পাসে কী কী আচরণ গ্রহণযোগ্য এবং কী কী ভায়োলেশন তা নির্ধারণ করি। এরপর সবাই মিলে সেই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করবো। ছাত্রশক্তির এই নেতা বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি মব কালচার শেষ করবেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি তা শেষ করতে পারেননি, বরং তার দলের লোকদের মাধ্যমে মব কালচারকে নতুন করে বৈধতা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকেও একের পর এক মবের ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির পায়রা চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের হামলার শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে সংগঠনটি সং

ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে সংলাপে বসার আহ্বান ছাত্রশক্তির

 

বাংলাদেশের ক্রিয়াশীল সব ছাত্র সংগঠনকে এক টেবিলে বসার আহ্বান জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।

তিনি বলেন, ক্যাম্পাসকে শান্ত রাখার আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। পাশাপাশি ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে আহ্বান জানাই-সব ছাত্র সংগঠন এক টেবিলে বসে আলোচনা করি, ক্যাম্পাসে কী কী আচরণ গ্রহণযোগ্য এবং কী কী ভায়োলেশন তা নির্ধারণ করি। এরপর সবাই মিলে সেই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করবো।

ছাত্রশক্তির এই নেতা বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি মব কালচার শেষ করবেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি তা শেষ করতে পারেননি, বরং তার দলের লোকদের মাধ্যমে মব কালচারকে নতুন করে বৈধতা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকেও একের পর এক মবের ঘটনা ঘটেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির পায়রা চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের হামলার শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ আহসান বলেন, একজন সংসদ সদস্য বলছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সরকারকে। সেই একই সংসদ সদস্য তার নিজের দলের লোকজন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের গুজব ছড়ানো থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন কি না-সেই প্রশ্নটি আমরা প্রথমেই রাখতে চাই।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের আজকে শাহবাগ থানায় কী কাজ ছিল? কেন তারা সেখানে গিয়েছে? আমরা দেখেছি, যার নামে ফেক স্ক্রিনশট ছড়ানো হয়েছে, সেই ছাত্রশিবির কর্মী নিজেই ঘোষণা দিয়ে জিডি করতে থানায় গিয়েছিলেন। ছাত্রদলের কোনো পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল না শাহবাগ থানায়। তাহলে এত নেতাকর্মী নিয়ে তারা সেখানে কেন গেল? এর মানে তারা আগে থেকেই ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার উত্তেজনার মধ্য দিয়ে আমরা আশঙ্কা করছি, ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগে ছাত্রলীগ আবার ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারে। ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে ঢুকলে কী পরিণতি হয়, তা সবাই জানে-এই ক্যাম্পাসে তারা বহু মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। তাই যদি আবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তার দায় তাদেরই নিতে হবে যারা এই উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। 

জাহিদ আহসান বলেন, ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মিডিয়ায় সব তথ্য, ভিডিও, ছবি ও ফুটেজ রয়েছে। তাই তদন্ত দীর্ঘায়িত করার কোনো প্রয়োজন নেই। দ্রুততম সময়ে যারা অপরাধ করেছে, বিশেষ করে ডাকসুর নেতা ও সাংবাদিক সমিতির নেতাদের ওপর যারা হামলা করেছে, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনতে হবে-এটাই আমাদের দাবি।

 

এফএআর/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow