কয়রায় ৭০ কেজি হরিণের মাংসসহ ডিঙি নৌকা জব্দ
খুলনার কয়রায় শাকবাড়িয়া নদীর তীরবর্তী গোলবাগান এলাকা থেকে আনুমানিক ৭০ কেজি হরিণের মাংস, দুটি মাথা, একটি ডিঙি নৌকা এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। তবে অভিযানের টের পেয়ে চোরশিকারিরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
রোববার (২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের অধীন কাশিয়াবাদ স্টেশনের বনকর্মীরা উপজেলার ৬ নম্বর কয়রা গ্রামের শাকবাড়িয়া নদীর চরে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিয়াবাদ স্টেশনের ডেপুটি রেঞ্জার মো. নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় গোলবাগানের ভেতরে ফেলে রাখা প্রায় ৭০ কেজি হরিণের মাংস, দুটি হরিণের মাথা, একটি নৌকা এবং শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরশিকারিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার হরিণের মাংস কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতিক্রমে আদা
খুলনার কয়রায় শাকবাড়িয়া নদীর তীরবর্তী গোলবাগান এলাকা থেকে আনুমানিক ৭০ কেজি হরিণের মাংস, দুটি মাথা, একটি ডিঙি নৌকা এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। তবে অভিযানের টের পেয়ে চোরশিকারিরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
রোববার (২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের অধীন কাশিয়াবাদ স্টেশনের বনকর্মীরা উপজেলার ৬ নম্বর কয়রা গ্রামের শাকবাড়িয়া নদীর চরে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিয়াবাদ স্টেশনের ডেপুটি রেঞ্জার মো. নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় গোলবাগানের ভেতরে ফেলে রাখা প্রায় ৭০ কেজি হরিণের মাংস, দুটি হরিণের মাথা, একটি নৌকা এবং শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরশিকারিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার হরিণের মাংস কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতিক্রমে আদালত চত্বরে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।