খালার বাসা থেকে ফেরার পথে কিশোরীকে জবাই করে হত্যা

ঢাকার কেরানীগঞ্জে খালার বাসা থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া তানজিলা (১৭) নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।   মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের গদারবাগ গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকা থেকে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তানজিলা বাঘৈর রাজেন্দ্রপুর এলাকার মৃত হাবিব মিয়ার মেয়ে।  পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে তানজিলা নিজ বাড়ি থেকে কালিন্দীতে তার খালা জরিনা বেগমের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। দুপুর দেড়টার দিকে তিনি খালার বাসায় পৌঁছান। সেখানে পরিবারের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেল ৩টার দিকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে যান। কিন্তু তিনি আর বাড়িতে পৌঁছাননি। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা সম্ভাব্য সব আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তানজিলার কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন গদারবাগ গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় এক কিশোরীর গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ

খালার বাসা থেকে ফেরার পথে কিশোরীকে জবাই করে হত্যা
ঢাকার কেরানীগঞ্জে খালার বাসা থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া তানজিলা (১৭) নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।   মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের গদারবাগ গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকা থেকে তার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তানজিলা বাঘৈর রাজেন্দ্রপুর এলাকার মৃত হাবিব মিয়ার মেয়ে।  পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে তানজিলা নিজ বাড়ি থেকে কালিন্দীতে তার খালা জরিনা বেগমের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। দুপুর দেড়টার দিকে তিনি খালার বাসায় পৌঁছান। সেখানে পরিবারের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেল ৩টার দিকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে যান। কিন্তু তিনি আর বাড়িতে পৌঁছাননি। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা সম্ভাব্য সব আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তানজিলার কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন গদারবাগ গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় এক কিশোরীর গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মা নাছিমা বেগম মরদেহটি তার মেয়ের বলে শনাক্ত করেন। নিহতের মা নাছিমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ে সোমবার সকালে বোন জরিনার বাসায় কালিন্দীতে গিয়েছিল। দুপুরে খাওয়াদাওয়া শেষে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল। আমরা সারা রাত আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ অনেক জায়গায় খুঁজেছি, কিন্তু কোথাও তাকে পাইনি। আজ সকালে লোকমুখে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি আমার মেয়েকে জবাই করে ফেলে রাখা হয়েছে। যারা আমার মেয়েকে এভাবে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কর্মকর্তা (এসআই) মো. মামুন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। নিহতের চলাফেরা, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর হত্যার কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow