খুবিতে মাছ ধরার উৎসব
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাছ ধরার উৎসব। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে এ মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন। সকালে ফিতা কেটে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো.হারুনর রশীদ খান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত। দিনভর মাছ ধরার পর বিকেলে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকার করা তিন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম হন অর্থনীতি ডিসিপ্লিন ২৩ ব্যাচের নাঈমুল হাসান রামিম, দ্বিতীয় হন বিজিই ডিসিপ্লিন ২২ ব্যাচের ইয়ামিন এবং তৃতীয় হন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিন ২৫ ব্যাচের আমিরুল এহসান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করতে এ আয়োজন। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে এমন আয়োজন তাদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করে। পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। ভব
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাছ ধরার উৎসব।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে এ মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।
সকালে ফিতা কেটে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো.হারুনর রশীদ খান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত।
দিনভর মাছ ধরার পর বিকেলে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকার করা তিন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম হন অর্থনীতি ডিসিপ্লিন ২৩ ব্যাচের নাঈমুল হাসান রামিম, দ্বিতীয় হন বিজিই ডিসিপ্লিন ২২ ব্যাচের ইয়ামিন এবং তৃতীয় হন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিন ২৫ ব্যাচের আমিরুল এহসান।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করতে এ আয়োজন। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে এমন আয়োজন তাদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করে। পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।
ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের আরও আয়োজন করা হবে।
বিজয়ী শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা ছিল আনন্দঘন। সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হয়েছে। প্রতি বছর এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?