খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১টি বাল্কহেডসহ ২ জনকে আটক করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ঝাঁপালি এলাকা থেকে বাল্কহেডটি আটক করে স্থানীয়রা নওয়াবেঁকী ফেরিঘাটে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত ১২টায় ঘটনাস্থলে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাশের হোসাইন। পরে তিনি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় অপরাধ স্বীকার করায় অভিযুক্ত শেখ সাগরকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সরেজমিনে জানা যায়, সালাম ও নাহিদ নামের দুই ব্যক্তিসহ কয়েকজন মিলে বালু উত্তোলন করছিলেন। আটককৃতরা অভিযোগ করে বলেন, শ্যামনগর উপজেলায় প্রতিনিয়ত বালু তোলা হলেও তাদেরকেই কেন আটক করা হলো। তাদের বাল্কহেড কালীগঞ্জ উপজেলার হওয়ায় টার্গেট করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। তারা আরও বলেন, নাহিদ নামের এক ব্যক্তিকে প্রতি ফুট বালুর জন্য আড়াই টাকা করে দিয়ে এর আগেও বালু উত্তোলন করা

খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১টি বাল্কহেডসহ ২ জনকে আটক করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ঝাঁপালি এলাকা থেকে বাল্কহেডটি আটক করে স্থানীয়রা নওয়াবেঁকী ফেরিঘাটে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত ১২টায় ঘটনাস্থলে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাশের হোসাইন।

পরে তিনি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় অপরাধ স্বীকার করায় অভিযুক্ত শেখ সাগরকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সরেজমিনে জানা যায়, সালাম ও নাহিদ নামের দুই ব্যক্তিসহ কয়েকজন মিলে বালু উত্তোলন করছিলেন।

আটককৃতরা অভিযোগ করে বলেন, শ্যামনগর উপজেলায় প্রতিনিয়ত বালু তোলা হলেও তাদেরকেই কেন আটক করা হলো। তাদের বাল্কহেড কালীগঞ্জ উপজেলার হওয়ায় টার্গেট করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। তারা আরও বলেন, নাহিদ নামের এক ব্যক্তিকে প্রতি ফুট বালুর জন্য আড়াই টাকা করে দিয়ে এর আগেও বালু উত্তোলন করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাশের হোসাইন বলেন, সরকারি সম্পদ রক্ষা এবং নদীর তীরবর্তী এলাকা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow