খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হাওরে ঢুকছে পানি, তলিয়ে যাচ্ছে পাকা ধান
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর এলাকায় অতিবৃষ্টিতে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হাওরে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। এতে শত শত হেক্টর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধে চাপ সৃষ্টি হলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বানিয়াচংয়ের সুজাতপুরসহ আশপাশের অর্ধশতাধিক গ্রামের ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধান কাটার মাত্র কয়েকদিন আগে এমন পরিস্থিতিতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকেই কাঁচা ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে উৎপাদন ও আয়ে ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-উপপরিচালক দিপক কুমার পাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে৷ কিন্তু উজানে বৃষ্টি বাড়লে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তিনি বলেন, বানিয়াচং উপজেলার ১২নং সুজাতপুর ইউনিয়নের দত্তপুর গ্রামের পাশে খোয়াই নদীর একটি বাঁধ ভেঙে গেছে। ফলে অনেক কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। যে পরিমাণ ভাঙন দেখা দিয়েছে, মেরামত করা খুব
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর এলাকায় অতিবৃষ্টিতে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হাওরে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। এতে শত শত হেক্টর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধে চাপ সৃষ্টি হলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বানিয়াচংয়ের সুজাতপুরসহ আশপাশের অর্ধশতাধিক গ্রামের ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধান কাটার মাত্র কয়েকদিন আগে এমন পরিস্থিতিতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অনেকেই কাঁচা ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে উৎপাদন ও আয়ে ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-উপপরিচালক দিপক কুমার পাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে৷ কিন্তু উজানে বৃষ্টি বাড়লে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
তিনি বলেন, বানিয়াচং উপজেলার ১২নং সুজাতপুর ইউনিয়নের দত্তপুর গ্রামের পাশে খোয়াই নদীর একটি বাঁধ ভেঙে গেছে। ফলে অনেক কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। যে পরিমাণ ভাঙন দেখা দিয়েছে, মেরামত করা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়াবে৷
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?