গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে ইশতেহারে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি বিএনপির
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহারে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ অবসর কল্যাণ বোর্ড গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সংবাদকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করেছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের বার্ধক্যকালীন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠন করা হবে। এছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করা হয়েছে। বিএনপি জানিয়েছে, বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা দিতে একটি ‘বিশেষ সেল’ গঠন করা হবে। সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অবসান ঘটিয়ে সুষম বণ্টন নীতি অনুসরণ করার আশ্বাসও দেওয়া
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহারে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ অবসর কল্যাণ বোর্ড গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলটি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সংবাদকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের বার্ধক্যকালীন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠন করা হবে। এছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও করা হয়েছে।
বিএনপি জানিয়েছে, বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা দিতে একটি ‘বিশেষ সেল’ গঠন করা হবে। সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অবসান ঘটিয়ে সুষম বণ্টন নীতি অনুসরণ করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণ্য বক্তব্য প্রতিরোধ করা হবে। গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নাগরিকদের কোনো অভিযোগ থাকলে তা ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির আইনি বাধ্যবাধকতা রাখা হবে।
ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, গণমাধ্যমকর্মী ও অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো হামলা বা আগ্রাসন কঠোরভাবে দমন করা হবে। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করতে বস্তুনিষ্ঠ সমালোচকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে পালনের সংকল্প ব্যক্ত করেছে বিএনপি।
What's Your Reaction?