গভীর রাতে ফেলে যাওয়া কাফনের কাপড়ে আরবি হরফ ঘিরে রহস্য
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পচামাদিয়া হাই স্কুলপাড়া এলাকায় পানি পড়ার আস্তানায় আরবি হরফে লেখা এক টুকরো কাফনের কাপড়কে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা কাপড়টি দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কাপড়টি দেখতে আসেন। স্থানীয়রা জানান, কাফনের কাপড়টিতে আরবি ভাষার কিছু লেখা ছিল, যা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। তবে কে বা কারা গভীর রাতে এটি সেখানে রেখে গেছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর দাবি, কুফরি অথবা জাদুটোনা করার জন্য এমন কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারে। ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে ওই এলাকার মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি একটি কাপড় দেখতে পাই, যার উপর আরবি বা অন্য কোনো ভাষায় লেখা ছিল এবং পাশাপাশি একটি নকশাও অঙ্কিত ছিল। আমার ধারণা, সেটি কাফনের কাপড় হতে পারে। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে যোহরের নামাজ শেষে আমি আবার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পচামাদিয়া হাই স্কুলপাড়া এলাকায় পানি পড়ার আস্তানায় আরবি হরফে লেখা এক টুকরো কাফনের কাপড়কে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা কাপড়টি দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কাপড়টি দেখতে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, কাফনের কাপড়টিতে আরবি ভাষার কিছু লেখা ছিল, যা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। তবে কে বা কারা গভীর রাতে এটি সেখানে রেখে গেছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, কুফরি অথবা জাদুটোনা করার জন্য এমন কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারে। ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ওই এলাকার মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি একটি কাপড় দেখতে পাই, যার উপর আরবি বা অন্য কোনো ভাষায় লেখা ছিল এবং পাশাপাশি একটি নকশাও অঙ্কিত ছিল। আমার ধারণা, সেটি কাফনের কাপড় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে যোহরের নামাজ শেষে আমি আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি স্থানীয় লোকজন কাপড়টি পুড়িয়ে ফেলেছে।
দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমরা পাইনি।
What's Your Reaction?