গরমে কত তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে

  তীব্র গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশনার এখন প্রায় অপরিহার্য। কিন্তু এসি চালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিলের চাপ। অনেকেই ভাবেন, কম তাপমাত্রায় এসি চালালে দ্রুত ঠান্ডা হবে কিন্তু এতে বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। তাহলে প্রশ্ন হলো, গরমে কত ডিগ্রিতে এসি চালালে আরামও পাওয়া যাবে, আবার বিলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় ঘর ঠান্ডা রাখতে এসিকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয় না, ফলে বিদ্যুৎ খরচও তুলনামূলক কম হয়। অনেকেই ১৮-২০ ডিগ্রিতে এসি সেট করেন, যা অপ্রয়োজনীয়ভাবে কম এবং এতে কম্প্রেসরকে বেশি কাজ করতে হয়। এর ফলে বিদ্যুৎ বিল দ্রুত বেড়ে যায়। এসি চালানোর সময় একটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি প্রতি ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমালে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৫-৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অর্থাৎ ২৬ ডিগ্রির বদলে ২০ ডিগ্রিতে এসি চালালে আপনি অজান্তেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ২৪-২৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা শুধু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও আরামদায়ক। অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকলে সর্দ

গরমে কত তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে

 

তীব্র গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশনার এখন প্রায় অপরিহার্য। কিন্তু এসি চালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিলের চাপ। অনেকেই ভাবেন, কম তাপমাত্রায় এসি চালালে দ্রুত ঠান্ডা হবে কিন্তু এতে বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। তাহলে প্রশ্ন হলো, গরমে কত ডিগ্রিতে এসি চালালে আরামও পাওয়া যাবে, আবার বিলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় ঘর ঠান্ডা রাখতে এসিকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয় না, ফলে বিদ্যুৎ খরচও তুলনামূলক কম হয়। অনেকেই ১৮-২০ ডিগ্রিতে এসি সেট করেন, যা অপ্রয়োজনীয়ভাবে কম এবং এতে কম্প্রেসরকে বেশি কাজ করতে হয়। এর ফলে বিদ্যুৎ বিল দ্রুত বেড়ে যায়।

এসি চালানোর সময় একটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি প্রতি ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমালে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৫-৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অর্থাৎ ২৬ ডিগ্রির বদলে ২০ ডিগ্রিতে এসি চালালে আপনি অজান্তেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন।

বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ২৪-২৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা শুধু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও আরামদায়ক। অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকলে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল তাপমাত্রা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু তাপমাত্রা ঠিক রাখলেই হবে না, এসি ব্যবহারের কিছু অভ্যাসও বিদ্যুৎ বিল কমাতে সাহায্য করে। যেমন-ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখা, এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং অপ্রয়োজনে বারবার অন-অফ না করা। এতে এসির কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে।

ইনভার্টার এসি ব্যবহার করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। এই ধরনের এসি ঘরের তাপমাত্রা স্থির রাখতে কম্প্রেসরের গতি নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow