গরু বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতেন ডালিম মিয়া

গাজীপুরের শ্রীপুরে জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাথা, লেজ, চামড়া ও নাড়িভুঁড়িসহ ডালিম মিয়া (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে জনতা। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ডালিম মিয়া ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বেড়াইদেরচালা গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ওই এলাকায় তারা জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় বেড়াইদেরচালা গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি এলাকা থেকে ডালিম মিয়াকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে রাতেই শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইদুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে ঘোড়ার মাথা ও নাড়িভুঁড়ি এবং চামড়াসহ আটক করে খবর দেন। পরে সেখানে যায় প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজন। ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কর্মকর্তারা জানতে পারেন, তার সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন মিলে ঘোড়া জবাই করেছিলেন। এ কাজ তার দীর্ঘদিন ধরে করছেন। জবাই

গরু বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতেন ডালিম মিয়া

গাজীপুরের শ্রীপুরে জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাথা, লেজ, চামড়া ও নাড়িভুঁড়িসহ ডালিম মিয়া (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে জনতা। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে ডালিম মিয়া ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বেড়াইদেরচালা গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ওই এলাকায় তারা জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় বেড়াইদেরচালা গ্রামের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি এলাকা থেকে ডালিম মিয়াকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে রাতেই শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইদুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে ঘোড়ার মাথা ও নাড়িভুঁড়ি এবং চামড়াসহ আটক করে খবর দেন। পরে সেখানে যায় প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজন। ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কর্মকর্তারা জানতে পারেন, তার সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন মিলে ঘোড়া জবাই করেছিলেন। এ কাজ তার দীর্ঘদিন ধরে করছেন। জবাই করা ঘোড়ার মাংস স্থানীয় ও দূর-দূরান্তের বিভিন্ন এলাকায় গরুর মাংস বলে বিক্রি করতেন।

ডালিম মিয়ার বরাতে কর্মকর্তারা আরও জানান, তার সঙ্গে থাকা আরও দুজন ঘোড়া জবাইয়ের পর মাংস নিয়ে গেছেন। ফেলে রেখে গেছেন মাথা, চামড়া, নাড়িভুঁড়িসহ বিভিন্ন অংশ। সেগুলো তিনি ফেলে দিতে গেলে লোকজন তাকে আটক করেন।

শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মুরর্শেদ মুরাদ বলেন, আটক ব্যক্তি ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রি করতেন বলে স্বীকার করেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিনুল ইসলাম/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow