গাজা সংকটে বড় মোড়, নিরস্ত্রীকরণে রাজি হামাস

গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে একটি ‘ঐতিহাসিক’ সমঝোতায় পৌঁছানোর দাবি করেছে গাজা বোর্ড অব পিস। সংস্থাটির দাবি, হামাস এমন একটি রোডম্যাপে সম্মত হয়েছে, যার আওতায় ধাপে ধাপে সংগঠনটি নিরস্ত্র হবে এবং এর সমান্তরালে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল। শুক্রবার (৩১ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের একটি প্রতিনিধি দলের সদস্য আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এই চুক্তির বাস্তবায়ন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে ইসরায়েল তার প্রতিশ্রুত অংশ বাস্তবায়ন করছে কি না তার ওপর। অর্থাৎ, ইসরায়েল যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করে, তবেই হামাসও ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় এগোবে। এদিকে, আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায়। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তারা কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, কিশ দ্বীপ, বুশে

গাজা সংকটে বড় মোড়, নিরস্ত্রীকরণে রাজি হামাস

গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে একটি ‘ঐতিহাসিক’ সমঝোতায় পৌঁছানোর দাবি করেছে গাজা বোর্ড অব পিস। সংস্থাটির দাবি, হামাস এমন একটি রোডম্যাপে সম্মত হয়েছে, যার আওতায় ধাপে ধাপে সংগঠনটি নিরস্ত্র হবে এবং এর সমান্তরালে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের একটি প্রতিনিধি দলের সদস্য আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এই চুক্তির বাস্তবায়ন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে ইসরায়েল তার প্রতিশ্রুত অংশ বাস্তবায়ন করছে কি না তার ওপর। অর্থাৎ, ইসরায়েল যদি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করে, তবেই হামাসও ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় এগোবে।

এদিকে, আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায়। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তারা কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, কিশ দ্বীপ, বুশেহর এবং খুজেস্তানের চারটি স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, জানজান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির তিন সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের কথিত হামলার বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানতেন- এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে ইরাকি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের কাছে এমন কোনো প্রমাণ নেই যে হামলাগুলো ইরাকের ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত হয়েছে।

অন্যদিকে, লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালি এবং এডেন উপসাগরে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিরাপত্তা জোরদারে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।

প্রতিবেদনগুলোতে উল্লিখিত এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্রের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow