গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসের’ গোপন নথি ফাঁস
গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসের’ গোপন নথি ফাঁস হয়েছে। এতে সদস্যপদ তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নগদ এক বিলিয়ন ডলার দিতে হবে বলে দাবি করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত নথি বার্তাসংস্থা রয়টার্সের হাতে এসেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের পাঠানো একটি খসড়া সনদে বলা হয়েছে, গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসের’ সদস্যপদ তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নগদ এক বিলিয়ন ডলার দিতে হবে। প্রায় ৬০টি দেশের কাছে পাঠানো এই গোপন নথি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে এসেছে। খসড়া সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সনদ কার্যকর হওয়ার পর প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ তিন বছর, যা চেয়ারম্যানের অনুমোদনে নবায়নযোগ্য। তবে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। সেখানে যেসব দেশ সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই ‘বোর্ড অব পিসে’ নগদ এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা দেবে, তাদের ক্ষেত্রে তিন বছরের মেয়াদ প্রযোজ্য হবে না। গোপন এই নথিটি সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ সর্বপ্রথম প্রকাশ করেছে। নথিতে বোর্ড অব পিসকে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হ
গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসের’ গোপন নথি ফাঁস হয়েছে। এতে সদস্যপদ তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নগদ এক বিলিয়ন ডলার দিতে হবে বলে দাবি করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত নথি বার্তাসংস্থা রয়টার্সের হাতে এসেছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের পাঠানো একটি খসড়া সনদে বলা হয়েছে, গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসের’ সদস্যপদ তিন বছরের বেশি সময় ধরে রাখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নগদ এক বিলিয়ন ডলার দিতে হবে। প্রায় ৬০টি দেশের কাছে পাঠানো এই গোপন নথি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে এসেছে।
খসড়া সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সনদ কার্যকর হওয়ার পর প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ তিন বছর, যা চেয়ারম্যানের অনুমোদনে নবায়নযোগ্য। তবে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। সেখানে যেসব দেশ সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই ‘বোর্ড অব পিসে’ নগদ এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা দেবে, তাদের ক্ষেত্রে তিন বছরের মেয়াদ প্রযোজ্য হবে না। গোপন এই নথিটি সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ সর্বপ্রথম প্রকাশ করেছে।
নথিতে বোর্ড অব পিসকে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সংঘাতপূর্ণ বা সংঘাতের হুমকিতে থাকা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, নির্ভরযোগ্য ও আইনসম্মত শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই শান্তি নিশ্চিত করা।
নথি অনুযায়ী, অন্তত ৩টি দেশ সনদে সম্মত হলেই বোর্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। পাশাপাশি সংগঠনটির অফিসিয়াল সিল অনুমোদনের দায়িত্বও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জন্য একটি শান্তি বোর্ড গঠনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনিসহ একাধিক বিশ্বনেতাকে এই বোর্ডে যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গাজাবিষয়ক এই বোর্ডটি ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বৃহত্তর ‘বোর্ড অব পিসের’ আওতায় গঠিত হবে।
গাজায় মাঠপর্যায়ে কাজ তদারকির জন্য নিকোলাই ম্লাদেনভকে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্স। তিনি নিরাপত্তা, নিরস্ত্রীকরণ এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া গঠিত হয়েছে একটি গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড, যেখানে তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরের শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। বোর্ডটির লক্ষ্য আরব দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা।
এর আগে গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ গাজায় যুদ্ধ অবসানের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হওয়ার ঘোষণা দেন।
What's Your Reaction?