গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, পলাশের মরদেহের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গত ১২ জুন দুপুরে রামপুরার বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের বিপরীতে নিজ বাসার কাছেই সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত রোববার রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২),

গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, পলাশের মরদেহের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গত ১২ জুন দুপুরে রামপুরার বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের বিপরীতে নিজ বাসার কাছেই সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত রোববার রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২), ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা (৪৫), পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবের (৩৫) নাম রয়েছে আসামি তালিকায়। অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে অস্ত্রধারীরা পলাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের একজন ইমাম হোসেন, যিনি হামলার পর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে ফেরদৌস নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

পুলিশ জানিয়েছে, ইয়াসিন খান পলাশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow