গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া এলাকার নবী হোসেন মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুন্নি আক্তার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সির বাড়ির মো. ইসহাকের মেয়ে। তিন বছর আগে পশ্চিম বরৈয়া কালু মাঝির বাড়ির নবী হোসেন মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয়। তাদের সংসারে এক বছর বয়সি একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। নিহত গৃহবধূ মুন্নির পিতা মো. ইসহাক বলেন, সকালে মেয়ের স্বামী ফোন করে জানায় যে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আমরা গিয়ে দেখি শাড়ি দিয়ে আমার মেয়ে ঝুলিয়ে থাকলেও তার পা মাটির সাথে লাগানো। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গলায় শাড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই তাকে নির্যাতন করত। এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার মীমাংসাও হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জ

গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া এলাকার নবী হোসেন মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নি আক্তার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সির বাড়ির মো. ইসহাকের মেয়ে। তিন বছর আগে পশ্চিম বরৈয়া কালু মাঝির বাড়ির নবী হোসেন মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয়।

তাদের সংসারে এক বছর বয়সি একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়।

নিহত গৃহবধূ মুন্নির পিতা মো. ইসহাক বলেন, সকালে মেয়ের স্বামী ফোন করে জানায় যে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আমরা গিয়ে দেখি শাড়ি দিয়ে আমার মেয়ে ঝুলিয়ে থাকলেও তার পা মাটির সাথে লাগানো। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গলায় শাড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই তাকে নির্যাতন করত। এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার মীমাংসাও হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি চাই।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। জানা গেছে ওই গৃহবধূকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন একাধিকবার মারধর করেছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তদন্ত রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow