গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, মুখে লাগানো ছিল টেপ
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এক গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
নিহত কাজল আক্তার কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং স্থানীয় ইসমাইল মাস্টারের ভাইয়ের পুত্রবধূ। তিনি তিন সন্তানের জননী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের চাল কেটে ঘরে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। ঘটনার সময় কাজল আক্তার তার তিন বছর বয়সী ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একাই ছিলেন। সকালে পরিবারের সদস্যরা কাজল আক্তারের হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
নিহতের বাবা আবদুর রশিদ পাটোয়ারী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে এবং এ ঘটনায় তার মেয়ের ভাসুর ইসমাইল মাস্টারের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল মাস্টার বলেন, ঘটন
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া এলাকায় এক গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
নিহত কাজল আক্তার কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং স্থানীয় ইসমাইল মাস্টারের ভাইয়ের পুত্রবধূ। তিনি তিন সন্তানের জননী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের চাল কেটে ঘরে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। ঘটনার সময় কাজল আক্তার তার তিন বছর বয়সী ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে একাই ছিলেন। সকালে পরিবারের সদস্যরা কাজল আক্তারের হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
নিহতের বাবা আবদুর রশিদ পাটোয়ারী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে এবং এ ঘটনায় তার মেয়ের ভাসুর ইসমাইল মাস্টারের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল মাস্টার বলেন, ঘটনার সময় আমি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোরে চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে এমন নৃশংস ঘটনার কথা জানতে পারি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
খবর পেয়ে ফুলগাজী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানোর প্রক্রিয়াসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত তাবাসসুম। পাশাপাশি পিবিআইর একটি বিশেষজ্ঞ দল আলামত সংগ্রহ করে ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছেন।
ফুলগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কিনা- সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। হত্যাকারী যেই হোক, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।