গোপালগঞ্জকে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই : বাবর
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেছেন, গোপালগঞ্জে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই। গোপালগঞ্জে উন্নয়নের কাজ চলমান থাকবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা ও সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে পাঁচটি প্রকল্পের ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন ফিতা কেটে কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ (পিইডিপি-৪) এর আওতায় ১০২ নম্বর বীনাপানি, ৯৩ নম্বর বেদগ্রাম এবং ৩২ নম্বর হরিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করা হয়।
এছাড়া ঢাকা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় গোপীনাথপুর–ঘাঘাধলইতলা সড়ক (দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ কিমি) এবং রুরাল কানেক্টিভিটি ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্ট-এর আওতায় চন্দ্রদিঘলিয়া আরএইচডি–বড়দিয়া জিসি–মধুমতি বাজার সড়ক (দৈর্ঘ্য ১১.৬ কিমি) উন্নয়ন কাজেরও উদ্বোধন করা হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেছেন, গোপালগঞ্জে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই। গোপালগঞ্জে উন্নয়নের কাজ চলমান থাকবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা ও সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে পাঁচটি প্রকল্পের ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন ফিতা কেটে কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ (পিইডিপি-৪) এর আওতায় ১০২ নম্বর বীনাপানি, ৯৩ নম্বর বেদগ্রাম এবং ৩২ নম্বর হরিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করা হয়।
এছাড়া ঢাকা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় গোপীনাথপুর–ঘাঘাধলইতলা সড়ক (দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ কিমি) এবং রুরাল কানেক্টিভিটি ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্ট-এর আওতায় চন্দ্রদিঘলিয়া আরএইচডি–বড়দিয়া জিসি–মধুমতি বাজার সড়ক (দৈর্ঘ্য ১১.৬ কিমি) উন্নয়ন কাজেরও উদ্বোধন করা হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ, নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুর হক, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী মাহমুদুল্লাহ, উপসহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লাবনী রায়।