গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ সরকারের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বুধবার (৫ মার্চ) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়, জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং দেশের সব নাগরিককে অবিলম্বে সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতারান্না ও অন্যান্য কাজে গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার, পাইপলাইন ও বার্নার নিয়মিত পরীক্ষা এবং লিকেজ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। জ্বালানি তেল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং সম্ভব হলে শেয়ারিং (কার-পুলিং) ব্যবস্থা উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করে জ্বালানি ত

গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ সরকারের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৫ মার্চ) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়, জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং দেশের সব নাগরিককে অবিলম্বে সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

গ্যাস ব্যবহারে সতর্কতা
রান্না ও অন্যান্য কাজে গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার, পাইপলাইন ও বার্নার নিয়মিত পরীক্ষা এবং লিকেজ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জ্বালানি তেল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ
ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং সম্ভব হলে শেয়ারিং (কার-পুলিং) ব্যবস্থা উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করে জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে নজরদারি
সব সরকারি দপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন ও অফিস-পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহার পরিহার করে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

এমএএস/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow