গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হলেন ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’র পরামর্শক (সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার) হিসেবে যোগদান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমতিক্রমে তিনি যোগদান করেছেন বলে জানিয়েছে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট। গ্রামীণ সেন্টার তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানায়, অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমতিক্রমে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক (সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার) হিসেবে যোগদান করেছেন। সরকারি অনুমোদনের পর গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি একদিকে একাডেমিক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজও চলছে। প্রায় ৩৩ একর (প্রায় ১০০ বিঘা) জমির ওপর এই ক্যাম্পাসটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। জমির প্রথম অংশটি ২০১৪ সালে গাজীপুরের কালীগঞ্জের পূর্বাচলে অধিগ্রহণ করা হয়। তবে বারবার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পরেও তৎকালীন সরকার অনুমোদন না দেওয়ায় প্রকল্পে বিলম্ব হয়েছে। ফলে এর কার্যক্রমও শুরু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০২৫ সা

গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হলেন ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’র পরামর্শক (সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার) হিসেবে যোগদান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমতিক্রমে তিনি যোগদান করেছেন বলে জানিয়েছে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট।

গ্রামীণ সেন্টার তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানায়, অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমতিক্রমে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক (সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার) হিসেবে যোগদান করেছেন।

সরকারি অনুমোদনের পর গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি একদিকে একাডেমিক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজও চলছে। প্রায় ৩৩ একর (প্রায় ১০০ বিঘা) জমির ওপর এই ক্যাম্পাসটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। জমির প্রথম অংশটি ২০১৪ সালে গাজীপুরের কালীগঞ্জের পূর্বাচলে অধিগ্রহণ করা হয়। তবে বারবার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পরেও তৎকালীন সরকার অনুমোদন না দেওয়ায় প্রকল্পে বিলম্ব হয়েছে। ফলে এর কার্যক্রমও শুরু করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে ২০২৫ সালের মার্চে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পায়; পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে মাসে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকেও অনুমোদন পায়। 

বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধি ও নীতিমালার আলোকে বিস্তারিত পর্যালোচনা, যাচাই-বাছাই, পরিদর্শন এবং মূল্যায়নের পর এসব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন, সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি একযোগে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু এবং স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থাপত্য পরিকল্পনার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow