গ্রুপ পর্বে পয়েন্ট সমান হলে কে যাবে নকআউটে, যা বলছে ফিফার নতুন নিয়ম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একের পর এক ড্রয়ের কারণে বেশ কয়েকটি গ্রুপে জমে উঠেছে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াই। অনেক দলই সমান পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করায় শেষ ম্যাচগুলোর আগে আলোচনায় এসেছে একটি প্রশ্ন গ্রুপ পর্ব শেষে দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে কোন দল পরের পর্বে যাবে? এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণে এবার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে মুখোমুখি ম্যাচের ফলাফলের ওপর। আগের অনেক টুর্নামেন্টে সামগ্রিক গোল ব্যবধান ছিল প্রধান বিবেচ্য বিষয়। তবে এবার গ্রুপ পর্বে সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখা হবে তাদের পারস্পরিক লড়াইয়ের ফল। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে যে দল ভালো করেছে, তারা অবস্থানগত সুবিধা পাবে। যদি মুখোমুখি ম্যাচ ড্র হয় কিংবা সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে কোনো পার্থক্য তৈরি না হয়, তখন বিবেচনায় আসবে সামগ্রিক গোল ব্যবধান। এরপরও সমতা বজায় থাকলে দেখা হবে কোন দল গ্রুপ পর্বে বেশি গোল করেছে। গোল ব্যবধান ও গোলসংখ্যাতেও যদি কোনো পার্থক্য না থাকে, তখন ফিফা বিবেচনা করবে ‘ফেয়ার প্লে’ র

গ্রুপ পর্বে পয়েন্ট সমান হলে কে যাবে নকআউটে, যা বলছে ফিফার নতুন নিয়ম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একের পর এক ড্রয়ের কারণে বেশ কয়েকটি গ্রুপে জমে উঠেছে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াই। অনেক দলই সমান পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করায় শেষ ম্যাচগুলোর আগে আলোচনায় এসেছে একটি প্রশ্ন গ্রুপ পর্ব শেষে দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে কোন দল পরের পর্বে যাবে?

এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণে এবার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে মুখোমুখি ম্যাচের ফলাফলের ওপর।

আগের অনেক টুর্নামেন্টে সামগ্রিক গোল ব্যবধান ছিল প্রধান বিবেচ্য বিষয়। তবে এবার গ্রুপ পর্বে সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখা হবে তাদের পারস্পরিক লড়াইয়ের ফল। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে যে দল ভালো করেছে, তারা অবস্থানগত সুবিধা পাবে।

যদি মুখোমুখি ম্যাচ ড্র হয় কিংবা সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে কোনো পার্থক্য তৈরি না হয়, তখন বিবেচনায় আসবে সামগ্রিক গোল ব্যবধান। এরপরও সমতা বজায় থাকলে দেখা হবে কোন দল গ্রুপ পর্বে বেশি গোল করেছে।

গোল ব্যবধান ও গোলসংখ্যাতেও যদি কোনো পার্থক্য না থাকে, তখন ফিফা বিবেচনা করবে ‘ফেয়ার প্লে’ রেকর্ড। অর্থাৎ কম হলুদ ও লাল কার্ড পাওয়া দল এগিয়ে থাকবে। শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডেও সমতা থাকলে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নেয়া হবে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে যে দল এগিয়ে ছিল, তারাই পাবে পরবর্তী পর্বে খেলার সুযোগ।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল। দলগুলোকে ভাগ করা হয়েছে ১২টি গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ সরাসরি নকআউট পর্বে উঠবে। তাদের সঙ্গে যোগ দেবে আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল।

তবে তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। তারা ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে খেলায় নিজেদের মধ্যে কোনো মুখোমুখি ম্যাচ থাকে না। ফলে এ ক্ষেত্রে হেড-টু-হেড ফলাফল বিবেচনার সুযোগ নেই।

সেজন্য ফিফা সব তৃতীয় স্থানধারী দলকে নিয়ে একটি আলাদা র‌্যাঙ্কিং বা ‘ওয়াইল্ডকার্ড টেবিল’ তৈরি করবে। সেখানে প্রথমে দেখা হবে অর্জিত পয়েন্ট। পয়েন্ট সমান হলে বিবেচনায় আসবে গোল ব্যবধান, এরপর মোট গোলসংখ্যা। তাতেও সমতা থাকলে দেখা হবে ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা র‌্যাঙ্কিং।

ফলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোতে শুধু জয়-পরাজয় নয়, গোলসংখ্যা, গোল ব্যবধান এবং শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি হলুদ কার্ড কিংবা একটি অতিরিক্ত গোলই নির্ধারণ করে দিতে পারে কোনো দলের নকআউট পর্বে যাওয়া কিংবা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়ার ভাগ্য।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow