‘গ্রেফতার এড়াতে’ ছাদ থেকে লাফ, প্রাণ গেল আওয়ামী লীগ নেতার
বরিশালে পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেফতার এড়াতে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে রাশেদ খান মেনন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) দুপুরে বরিশাল নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রাশেদ খান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল মহানগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, দুপুরে কোনো মামলা ছাড়াই রাশেদ খান মেননের পশ্চিম কাউনিয়ার বাসায় অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এসময় আতঙ্কিত হয়ে গ্রেফতার এড়াতে তিনি বাড়ির ছাদ থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরিবারের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে অভিযানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ। তিনি বলেন, সেখানে পুলিশের কোনো অভিযান ছিল না। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাশেদ খান মেননের হার্টে রিং পরানো ছিল। তিনি নিজ বাসার ছাদে হাঁটাহাঁটি করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে মারা যান। ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা শেবাচিম
বরিশালে পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেফতার এড়াতে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে রাশেদ খান মেনন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে বরিশাল নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ খান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল মহানগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তার ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, দুপুরে কোনো মামলা ছাড়াই রাশেদ খান মেননের পশ্চিম কাউনিয়ার বাসায় অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এসময় আতঙ্কিত হয়ে গ্রেফতার এড়াতে তিনি বাড়ির ছাদ থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরিবারের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে অভিযানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ।
তিনি বলেন, সেখানে পুলিশের কোনো অভিযান ছিল না। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাশেদ খান মেননের হার্টে রিং পরানো ছিল। তিনি নিজ বাসার ছাদে হাঁটাহাঁটি করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে মারা যান।
ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা শেবাচিম হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ নিয়ে গেছেন।
শাওন খান/এসআর/এমএস
What's Your Reaction?