ঘরে ঝুলছিল মা-মেয়ের মরদেহ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গুচ্ছিগ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- পটিয়া উপজেলার কৈয়গ্রাম মালিয়ারা এলাকার মো. মিজানের স্ত্রী সুমি আক্তার (১৯) ও তার শিশুকন্যা ওয়াজিহা আক্তার (২)। তারা আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গুচ্ছিগ্রামে কয়েক বছর ধরে বসবাস করছিলেন। নিহত সুমি আক্তারের বোনের জামাই এনামুল হক বলেন, তিন বছর আগে সুমি আক্তারের সঙ্গে মিজানের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গুচ্ছগ্রামে মা ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মিজান বসবাস করে আসছিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া-বিবাধ হতো। ঘটনার দিন বিকেলেও স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার খবর পেয়েছি। আমরা এসে দেখি ঘরের মধ্যে সুমি ও তার মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ। সুমি আক্তারের মা হোসনেয়ারা বেগম বলেন, আমার মেয়েকে প্রায় সময় মারধর করত। ঘটনার সময় মিজান আমাকে ফোন করলে আমি মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু সে আমার মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি। এ সময় আমি আমার মেয়ের ঘোঙ্ঘানির শব্দ শুনেছি। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপ সদস্য মো. ইদ্রীস বলেন, বিকেল ৪টা ৪০ ম

ঘরে ঝুলছিল মা-মেয়ের মরদেহ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গুচ্ছিগ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- পটিয়া উপজেলার কৈয়গ্রাম মালিয়ারা এলাকার মো. মিজানের স্ত্রী সুমি আক্তার (১৯) ও তার শিশুকন্যা ওয়াজিহা আক্তার (২)। তারা আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গুচ্ছিগ্রামে কয়েক বছর ধরে বসবাস করছিলেন।

নিহত সুমি আক্তারের বোনের জামাই এনামুল হক বলেন, তিন বছর আগে সুমি আক্তারের সঙ্গে মিজানের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। গুচ্ছগ্রামে মা ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মিজান বসবাস করে আসছিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া-বিবাধ হতো। ঘটনার দিন বিকেলেও স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার খবর পেয়েছি। আমরা এসে দেখি ঘরের মধ্যে সুমি ও তার মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ।

সুমি আক্তারের মা হোসনেয়ারা বেগম বলেন, আমার মেয়েকে প্রায় সময় মারধর করত। ঘটনার সময় মিজান আমাকে ফোন করলে আমি মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু সে আমার মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি। এ সময় আমি আমার মেয়ের ঘোঙ্ঘানির শব্দ শুনেছি। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপ সদস্য মো. ইদ্রীস বলেন, বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে নিহতের স্বামী মিজান আমাকে কল দিয়ে জানায়, তার স্ত্রী ও মেয়ে মারা গেছে। আমার সন্দেহ হলে থানার ওসিকে কল দিয়ে জানাই। পরে পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ বসতঘর থেকে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow