ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ১৪ নারীকে ধর্ষণ

ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার পর অন্তত ১৪ নারীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রসিকিউটররা। ঘটনাটি জার্মানির রাজধানী বার্লিনের। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বার্লিন প্রসিকিউটরস অফিস জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে পরিচিত হতেন। পরে তাদের অ্যালকোহলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করতেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে, যখন পুলিশ অভিযুক্তের বাসায় অভিযান চালিয়ে একাধিক ডিভাইস জব্দ করে। সেগুলোতে অসংখ্য যৌন নিপীড়নের ভিডিও পাওয়া যায়। এ পর্যন্ত অভিযুক্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫৮ জন নারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন নারীকে ধর্ষণের মোট ২২টি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিম্ন স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যের পুলিশ একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত আরেক ব্যক্তির তদন্ত করতে গিয়ে এই ঘটনার সূত্র পায়। তদন্তে জানা যায়, ওই ব্যক্তি বার্লিনের অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। পুলিশ প্রথমবার ২০২৫ সালের মার্চে অভিযুক্তের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ভিডিওগুলো উদ্ধার করে। পরে চলতি বছর

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ১৪ নারীকে ধর্ষণ

ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার পর অন্তত ১৪ নারীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণের অভিযোগে ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রসিকিউটররা। ঘটনাটি জার্মানির রাজধানী বার্লিনের।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বার্লিন প্রসিকিউটরস অফিস জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে পরিচিত হতেন। পরে তাদের অ্যালকোহলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করতেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে, যখন পুলিশ অভিযুক্তের বাসায় অভিযান চালিয়ে একাধিক ডিভাইস জব্দ করে। সেগুলোতে অসংখ্য যৌন নিপীড়নের ভিডিও পাওয়া যায়।

এ পর্যন্ত অভিযুক্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫৮ জন নারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন নারীকে ধর্ষণের মোট ২২টি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিম্ন স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যের পুলিশ একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত আরেক ব্যক্তির তদন্ত করতে গিয়ে এই ঘটনার সূত্র পায়। তদন্তে জানা যায়, ওই ব্যক্তি বার্লিনের অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

পুলিশ প্রথমবার ২০২৫ সালের মার্চে অভিযুক্তের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ভিডিওগুলো উদ্ধার করে। পরে চলতি বছরের মার্চে দ্বিতীয় দফা অভিযানের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি বিচারপূর্ব আটক রয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে ২২টি গুরুতর ধর্ষণ এবং বিপজ্জনক শারীরিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow