চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে ট্রাইব্যুনালের নতুন রায়

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে। এফবিসিসিআই-এর সালিশি ট্রাইব্যুনাল আগের ঘোষিত নির্বাচনী তফশিল বাতিল করে নতুন করে আইনসম্মত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট নানা জটিলতা এখনও পুরো পরিস্থিতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মিসেস নাসরিন বেগম এবং সদস্য এএসএম কামাল উদ্দিন ও ছায়েদ আহম্মদ এ সংক্রান্ত রায় দেন। চেম্বারের সদস্য এস এম নুরুল হক, মুহাম্মদ বেলাল ও মুহাম্মদ আজিজুল হকের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত আসে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল)।  রায়ে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট ঘোষিত নির্বাচনী তফসিলটি আইনগতভাবে সঠিক ছিল না। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় সেটি কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। ফলে সেটিকে সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠন আইন-২০২২ এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নতুন তফশিল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি এতটা সহজ নয়। ভোটার তালিকা নিয়ে বি

চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে ট্রাইব্যুনালের নতুন রায়

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে। এফবিসিসিআই-এর সালিশি ট্রাইব্যুনাল আগের ঘোষিত নির্বাচনী তফশিল বাতিল করে নতুন করে আইনসম্মত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট নানা জটিলতা এখনও পুরো পরিস্থিতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মিসেস নাসরিন বেগম এবং সদস্য এএসএম কামাল উদ্দিন ও ছায়েদ আহম্মদ এ সংক্রান্ত রায় দেন। চেম্বারের সদস্য এস এম নুরুল হক, মুহাম্মদ বেলাল ও মুহাম্মদ আজিজুল হকের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত আসে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল)। 

রায়ে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট ঘোষিত নির্বাচনী তফসিলটি আইনগতভাবে সঠিক ছিল না। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় সেটি কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। ফলে সেটিকে সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠন আইন-২০২২ এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নতুন তফশিল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বাস্তব পরিস্থিতি এতটা সহজ নয়। ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক, সংঘবিধি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা এবং চলমান আইনি জটিলতার কারণে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, এসব সমস্যা সমাধান ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর চেম্বারের ভেতরে ‘স্বৈরতন্ত্র’ ও ‘পরিবারতন্ত্র’-এর অভিযোগ তুলে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে তৎকালীন নির্বাচিত পর্ষদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং পরে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই অস্থিরতার ধারাবাহিকতায় নির্বাচন প্রক্রিয়াও বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow