চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় পৃথক দুই অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাপাতি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর পর্যন্ত এসব অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি দল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকার ১ নম্বর গলির মুখে অভিযান চালায়। এসময় পালানোর চেষ্টাকালে মো. হাসান (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কোমর থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাটহাজারীর চিকনদণ্ডী এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে দুটি দেশীয় তৈরি শটগান, একটি একনলা বন্দুক, ২০টি তাজা কার্তুজ, একটি শটগানের ব্যারেল, তিনটি রিকয়েলিং স্প্রিং ও আরও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসান পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি এসব অস্ত্র ব্যবহার করে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, তার বিরুদ্ধে
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় পৃথক দুই অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাপাতি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর পর্যন্ত এসব অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি দল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ড্রিমল্যান্ড আবাসিক এলাকার ১ নম্বর গলির মুখে অভিযান চালায়। এসময় পালানোর চেষ্টাকালে মো. হাসান (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কোমর থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাটহাজারীর চিকনদণ্ডী এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে দুটি দেশীয় তৈরি শটগান, একটি একনলা বন্দুক, ২০টি তাজা কার্তুজ, একটি শটগানের ব্যারেল, তিনটি রিকয়েলিং স্প্রিং ও আরও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসান পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি এসব অস্ত্র ব্যবহার করে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, তার বিরুদ্ধে আগেও চুরি, মারামারি ও হত্যাচেষ্টাসহ চারটি মামলা রয়েছে।
একই এলাকায় বায়েজিদ বোস্তামি থানার আরেকটি অভিযানে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুর উদ্দিন সোহেল (৩০) নামের একজনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি খালি ম্যাগাজিন, দুটি চায়না রাইফেলের গুলি ও ১৮টি পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালি ও ওয়াজেদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাপস পালিত (৫১) ও দীপক কান্তি দে (৫৮) নামের আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে আরও একটি বিদেশি পিস্তল, একটি খালি ম্যাগাজিন এবং ১০টি পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এমআরএএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?