চট্টগ্রামে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে থাইল্যান্ডের নাগরিক নিহত
চট্টগ্রামে আনোয়ারায় বঙ্গোপসাগরে নোঙর করা জাহাজে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে রাফিফং ক্লাহান (৩০) নামে এক থাইল্যান্ডের নাগরিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বুধবার (২০ মে) দুপুরে তুরাকর্ন বুরুসিক (৩৫) নামে অভিযুক্ত নাবিককে আটক করেছে পুলিশ। তিনিও থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে জানা গেছে। রাফিফং ক্লাহান এমভি কেপিপি-০১ (আইএমও ৯০২১২০৩) নামের একটি বিদেশি জাহাজে নাবিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবার নাম সানইয়াপং ক্লাহান। বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, আনোয়ারা থানাধীন সমুদ্রের চার্লি অ্যানকর পয়েন্টে নোঙর করা জাহাজটিতে কর্মরত দুই বিদেশি নাবিকের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি হয়। এ সময় একজন অপরজনকে ছুরিকাঘাত করলে রাফিফং গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নিহতের মরদেহ চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ ওই জাহাজে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তুরাকর্ন বুরুসিকাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
চট্টগ্রামে আনোয়ারায় বঙ্গোপসাগরে নোঙর করা জাহাজে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে রাফিফং ক্লাহান (৩০) নামে এক থাইল্যান্ডের নাগরিক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বুধবার (২০ মে) দুপুরে তুরাকর্ন বুরুসিক (৩৫) নামে অভিযুক্ত নাবিককে আটক করেছে পুলিশ। তিনিও থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে জানা গেছে।
রাফিফং ক্লাহান এমভি কেপিপি-০১ (আইএমও ৯০২১২০৩) নামের একটি বিদেশি জাহাজে নাবিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবার নাম সানইয়াপং ক্লাহান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, আনোয়ারা থানাধীন সমুদ্রের চার্লি অ্যানকর পয়েন্টে নোঙর করা জাহাজটিতে কর্মরত দুই বিদেশি নাবিকের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি হয়। এ সময় একজন অপরজনকে ছুরিকাঘাত করলে রাফিফং গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নিহতের মরদেহ চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ ওই জাহাজে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তুরাকর্ন বুরুসিকাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?